টানা বৃষ্টিতে মেঘনাউপকূল প্লাবিত আরও বৃষ্টির আশঙ্কা:আবহাওয়া অফিস

imagesনিজস্বপ্রতিনিধি: মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি থেকে প্রবল অবস্থায় থাকায় গত দুদিন যাবৎ বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাংশ এবং তার আশপাশের এলাকায় একটি লঘুচাপ অবস্থান করার কারণে রোববার সন্ধ্যা থেকে শুরু হতে পারে ভারী বর্ষণ। রোববার আবহাওয়া অফিস সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।

আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানায়, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তার আশপাশের উপকূলীয় এলাকায় গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালা সৃষ্টি হওয়ার কারণে রবিবার দুপুর ১২টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে।

লক্ষ্মীপুর: তিনদিনের টানা বৃষ্টি আর মেঘনা নদীর জোয়ারের পানি স্বাভাবিকের চেয়ে বেড়ে যাওয়ায় মেঘনা উপকূলের রামগতি ও কমলনগর উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কাঁচাঘর ও আউস ধানের ক্ষেত। এছাড়া ভেসে গেছে পুকুর ও ঘেরের মাছ।

ভুক্তভোগীরা জানান, বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুরু হওয়া টানা বৃষ্টি আর জোয়ারের পানির কারণে মেঘনা নদীর তীরবর্তী কমলনগর উপজেলার চরকালকিনি, চরসামছুদ্দিন, চরজগবন্ধু, কাদির পন্ডিতেরহাট, মতিরহাট সাহেবেরহাট, চরফলকন, মাতাব্বরনগর এবং রামগতি উপজেলার বালুরচর, বাংলাবাজার, চরআলেকজান্ডার, চরআলগী, চররমিজ, বড়খেরী, চরগাজী, চরগজারিয়া ও তেলিরচরের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছে ওই সব গ্রামের মানুষেরা।

মেঘনাপাড়ের বাসিন্দারা জানান, মেঘনার ভাঙনে বেড়িবাঁধ বিলীন হয়ে যাওয়ায় জোয়ার বাড়লেই ভাঙা অংশ দিয়ে পানি ঢুকে গ্রামগুলো প্লাবিত হয়ে পড়ে।

রামগতি উপজেলার চরআব্দুল্যাহ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. বেলাল হোসেন জানান, মেঘনা নদী বেষ্টিত দ্বীপচর চরগজারিয়া ও তেলিরচরে বেড়িবাঁধ না থাকায় জোয়ার আসলেই তলিয়ে যায়। পানিবন্দি হয়ে পড়ে হাজার হাজার মানুষ। এমন পরিস্থিতিতে চরের মানুষ জোয়ার দেখলেই আতঙ্কিত হয়ে পড়ে।