সব কিছু
লক্ষ্মীপুর মঙ্গলবার , ১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ইং , ৭ই ফাল্গুন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ , ১৪ই জমাদিউস-সানি, ১৪৪০ হিজরী

কোরবানের আগেই লক্ষ্মীপুরে পশু খাদ্য সংকট

কোরবানের আগেই লক্ষ্মীপুরে পশু খাদ্য সংকট

শাকের মোহাম্মদ রাসেল: কোরবান ঈদের আগেই লক্ষ্মীপুরের চরাঞ্চলে গবাদিপশুর চিকিৎসাসেবা ও খাদ্য সংকটের কারণে অলাভজনক হয়ে পড়ছে পশু পালন। এসব চরাঞ্চলে সরকারি ডাক্তারের সেবা পান না গবাদিপশুর মালিকরা। ফলে মাংস উৎপাদেনর পাশাপাশি দুধ উৎপাদনও ব্যাহত হচ্ছে। প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের তেমন কোনো ভূমিকা নেই বললেই চলে। জেলার সদর উপজেলার চররমনী মোহন ও চর আব্দুল্যাহর দুর্গম এলাকায় গরু ও মহিষের চাষ করে চাষিরা। উৎপাদন হয় প্রচুর পরিমাণ মাংস ও দুধ। এখানকার উৎপাদিত দুধ ও গরুর মাংস চাহিদা মিটিয়ে বিভিন্ন জেলায় বিক্রি করা হয়। জেলা প্রাণিসম্পাদ বিভাগের তথ্যমতে ওইসব চরাঞ্চলে প্রায় ১৪ হাজার গবাদিপশু আছে। আর বেসরকারি হিসাব মতে প্রায় ৫০ হাজার গুরু ও মহিষ রয়েছে।
বিস্তীর্ণ চরাঞ্চল হওয়ায় এখানে ঘাস চাষেরও সম্ভাবনা রয়েছে অনেক। কিন্তু দীর্ঘদিন এসব গবাদিপশুর চিকিৎসাসেবা ও খাদ্য সংকটের কারণে অলাভজনক হয়ে পড়ছে পশু পালন। নিয়মতান্ত্রিকভাবে সরকারি কোনো সেবাই পান না গরু-মহিষের এসব মালিক। এ ছাড়া দুর্গম এলাকায় লোকবল সংকটের কারণে পশুকে যথাযথভাবে চিকিৎসাসেবা দিতে পারছেন না বলে জানান জেলা প্রাণিসম্পদ দফতর।

চাষিরা জানান, প্রাণিসম্পদ বিভাগের কোনো কর্মকর্তাই এসব এলাকায় যান না। আর সরকারি সেবা না পাওয়ার কারণে বিভিন্ন সময়ে সামান্য রোগে গবাদিপশু মারা যায়। আর আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হন মালিকরা। এসব চরাঞ্চলে একটি গবাদিপশুকে কৃত্রিম প্রজনন করার জন্য মতিরহাট বা মজু চৌধুরীরহাট নিতে হয়। একবার কৃত্রিম প্রজননের জন্য তাদের খরচ হয় প্রায় তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার টাকা। অনেক সময় মহিষকে মূল ভূখণ্ডে আনা-নেয়ার সমস্যার কারণে কৃত্রিম প্রজনন করা যায় না। যেখানে একটি উন্নত জাতের মহিষ ১২ থেকে ১৫ কেজি দুধ দেয়। আর এখানে একটি মহিষ মাত্র ২ থেকে আড়াই কেজি দুধ দেয়।
পশুর মালিকরা চান সপ্তাহে ২ থেকে ৩ দিন সরকারি ডাক্তার এখানে গিয়ে গবাদিপশুকে সেবা দিক। আর গরু ও মহিষের উন্নত মানের কৃত্রিম প্রজনন ব্যবস্থা নেয়ার দাবিও তাদের।
এ বিষয়ে জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আব্দুল বাসেত জানান, চাষিদের বিভিন্ন পরামর্শ দেয়া হচ্ছে, পশু চিকিৎসাসেবাও দেয়া হচ্ছে, তবে লোকবল সংকটের কারণে নিয়মিত যাওয়া হচ্ছে না। অন্যদিকে দুর্গম ও যাতায়াতে সমস্যার কারণে ওইসব এলাকায় কম যাওয়া হচ্ছে। তবে যে কোনো সময় তাদের সমস্যার সমাধানে প্রাণিসম্পদ দফতর প্রস্তুত আছে।

লক্ষ্মীপুর আরও সংবাদ

দুর্ঘটনা রোধে চালক, যাত্রী ও পথচারীদের সচেতন হতে হবে: লক্ষ্মীপুরে বক্তারা

লক্ষ্মীপুরের ঐতিহ্যবাহী বুড়াকর্তার মেলা

গলায় জীবন্ত মাছ আটকে লক্ষ্মীপুরে এক ব্যক্তির মৃত্যু

আমার সংবাদ এর বর্ষসেরা প্রতিনিধি হলেন লক্ষ্মীপুরের আলী হোসেন

দেড় লাখ গ্রাহকের বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণ করবে রামগঞ্জের নতুন বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র

রায়পুরে নেশাগ্রস্থ যুবকের কোপে বাবা ভাইসহ আহত-৫

লক্ষ্মীপুরটোয়েন্টিফোর মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত লক্ষ্মীপুরটোয়েন্টিফোর ডটকম ২০১২ - ২০১৮
সম্পাদক ও প্রকাশক: সানা উল্লাহ সানু
রতন প্লাজা (৩য় তলা) , চক বাজার, লক্ষ্মীপুর-৩৭০০
ফোন: ০১৭৯৪-৮২২২২২,ইমেইল: [email protected]