সব কিছু
facebook lakshmipur24.com
লক্ষ্মীপুর শনিবার , ২৪শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ , ৮ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ , ৭ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪২ হিজরি
রাজস্ব আদায়ে ভার্চুয়াল কর পদ্ধতি ও অভিযোজন জরুরি

রাজস্ব আদায়ে ভার্চুয়াল কর পদ্ধতি ও অভিযোজন জরুরি

রাজস্ব আদায়ে ভার্চুয়াল কর পদ্ধতি ও অভিযোজন জরুরি

মোহাম্মদ সিরাজ উদ্দিন: করোনাভাইরাস বা কোভিড-১৯-এর আঘাতে বিশ্বব্যাপী অর্থনীতি ক্ষত-বিক্ষত। ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ব্যবসা ও পেশা এবং পেশাজীবী মানুষগুলো কীভাবে এ বিশাল দুনিয়ার অর্থনীতিকে সচল রেখে আসছে, অল্প সময়ে তা মূল্যায়ন করার চোখ খুলে দিলো করোনাভাইরাস। আমরা পূর্বে এমন বেসামাল অর্থনৈতিক ব্যবস্থার মুখোমুখি হতে দেখিনি বা হইনি।

আরো পড়ুন:  ডিজিটাল আয়কর রিটার্ন জমা দেয়ার প্রস্তুতি

পৃথিবীর উন্নত দেশগুলো হয়তো তাদের ক্ষতি কিছুটা হলেও কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হবে। কিন্তু চিন্তার বিষয় হলো আমাদের দেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থনীতি নিয়ে। বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির (Bangladesh Economic Review 2019-এর মতে) ৯১% অর্জিত হয়েছে নাগরিকদের প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ কর থেকে। আয়কর বা মূল্যসংযোজন কর (ভ্যাট) ও কাস্টমস থেকে আদায়কৃত রাজস্ব অভ্যন্তরীণ অর্থনীতির চাকা সচল রাখার ক্ষেত্রে অবিচ্ছেদ্য নিয়ামক।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে, কীভাবে আমাদের রাজস্ব আদায় ব্যবস্থাকে সময়ের সঙ্গে মিলিয়ে ঢেলে সাজাবো? আমরা কি এক্ষেত্রে পুরোপুরি প্রস্তুত? আমাদের কত ভাগ করদাতা ভার্চুয়াল পদ্ধতির সঙ্গে অভ্যস্ত? তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহারে আমরা এখনও কি তৈরি? আমরা কি অভিযোজিত হতে পারবো? এ রকম নানান প্রশ্ন আমাদের চারপাশে ঘুরপাক খাচ্ছে।

এসব প্রশ্নের উত্তর অতীব সহজ। এক্ষেত্রে আমার গ্রামের একজন পরিচিত তরুণের উদাহরণ দিয়েই বলি—তিনি কোনোরকম তার নাম লিখতে পারেন। বিদ্যা-শিক্ষা বলতে এটুকুই। আমি গ্রামে থাকা এক আত্মীয়ের জন্য বিকাশে টাকা পাঠাবো, কিন্তু আমার বিকাশ নম্বরটা অপারেশনে অসুবিধা হচ্ছিল। তাই ওই তরুণকে ফোন দিয়ে  জানতে চাইলাম তার নগদ বা অন্য কোনও মাধ্যমে অ্যাকাউন্ট আছে কিনা?  আমাকে আশ্চর্য করে তিনি জানালেন যে তার  রকেট, নগদ, বিকাশসহ আরও বেশ কয়েকটি অ্যাপস রয়েছে। আমি যদি আমার হোয়াটসঅ্যাপ বা ইমো বা মেসেঞ্জারের আইডিটা ওনাকে জানাই তাহলে তিনি তার নম্বরগুলো আমাকে টেক্সট করে দিতে পারেন। আমি হতবাক হয়ে গেলাম। আমি নিজেও এতগুলো অ্যাপসে অভ্যস্ত নই। তার মানে হলো ভার্চুয়াল জগতে আমরা এগিয়ে গেছি অনেক দূর। আমাদের বর্তমান সমাজ ব্যবস্থার কারণে হোক বা নিজের প্রয়োজনে হোক, আমাদের তরুণ সমাজ অভ্যস্ত হয়ে গেছে এ প্রযুক্তি ব্যবহারে।

আমরা এক সময় আমাদের অফিসের সিইও’র কাছে শুনতাম, খুব কম সময়ের মধ্যে আপনাকে, আমাকে কিন্তু সাজানো গোছানো অফিস ব্যবস্থাপনাকে ইতি জানাতে হবে। আমরা মনে মনে ভাবতাম, উনি হয়তো বহু বছর পরের কথা বলছেন। দেখা যাক কী হয়। কিন্তু হায়! বলতে বলতেই শুরু হয়ে গেলো, করোনার আক্রমণ। আমরা চোখের সামনে দেখছি নয় বরং নিজেরাই শুরু করছি ভার্চুয়াল অফিস। এখন এমন কোনও কাজ নেই যা আমরা করছি না। অথচ কিছু দিন আগেও এ কাজগুলো আমরা নিয়মিত অফিসে গিয়ে করতাম। প্রথম দিকের তুলনায় দুই-আড়াই মাসের শেষের দিকে এসে দেখছি আমরা অফিসের কাজ শেষ করেও অনেক বেশি সৃজনশীল কাজ করতে পারছি, যা নিয়মিত অফিসের সময় সম্ভব হতো না।

যা হোক, বলছিলাম আমাদের অর্থনীতিকে সচল রাখার কথা। সরকারি রাজস্ব খাতের মধ্যে অন্যতম নিয়ামক শক্তি তথা সরকারের রাজস্ব আদায়ে গতানুগতিক পদ্ধতিকে ইতি জানানোর এখন উপযুক্ত সময় এসে গেছে। কাল বিলম্ব না করে অতি দ্রুততম সময়ের মধ্যে কর, ভ্যাট, কাস্টমস ব্যবস্থা সহজিকরণ এবং করদাতা বান্ধব প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করার কাজে হাত দিতে হবে। এটা এজন্যও করা জরুরি যে, সম্প্রতি আমরা জানতে পারলাম বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে হুঁশিয়ারি দিয়েছে, করোনাভাইরাস আগামী পাঁচ বছর পর্যন্ত বিদ্যমান থাকবে। তার মানে হলো নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে অফিস করতে হবে, আগের মতো অফিসের স্বল্প পরিসরে ৪-৫ জন বসে কাজ করার ক্ষেত্রে করোনা আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকবে। তাই অফিসে না এসে বাসায় বসে অফিসের কাজ সম্পন্ন করার জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে, অভ্যস্ত হতে হবে।

ভার্চুয়াল অফিসের সঙ্গে অভিযোজিত হতে হবে। ডিজিটাল কর ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে, তা হতে হবে কার্যকরভাবে। বর্তমান সময়ের মতো নামে মাত্র চালু রাখলে হবে না।

এ বিষয়ে ইতোমধ্যে বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রকাশিত ‘রাজস্ব আদায়ে ভার্চুয়াল কর-পদ্ধতি ও অভিযোজন নীতি গ্রহণ অতীব জরুরি’ শীর্ষক  প্রবন্ধে আমি  বেশ কিছু পরামর্শ প্রদান করেছিলাম। তারই ধারাবাহিকতায় এবারের লেখনীতে আরও কিছু  বিষয় সুপারিশ  করছি—

ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বাস্তবায়ন এবং অভিযোজিত হওয়ার জন্য তিন ধাপে বাস্তবায়ন করার উদ্যোগ নিতে হবে:

১. উদ্যোগ গ্রহণ পর্যায়:

ক) আয়কর, ভ্যাট ও কাস্টমস থেকে তথ্য প্রযুক্তিতে দক্ষ এমন কর্মকর্তা ও আয়কর আইনজীবীদের সমন্বয়ে একটি জাতীয় রাজস্ব আদায় ভার্চুয়াল কমিটি গঠন করা;

খ) ভার্চুয়াল কমিটির করণীয় তথা দায়-দায়িত্ব ঠিক করা;

গ) জাতীয় কমিটির মাধ্যমে অধিকতর সহজ পদ্ধতিতে রাজস্ব আদায়ের জন্য ভার্চুয়াল ফরম তৈরি করা এবং অত্যন্ত স্বচ্ছতার সঙ্গে ১০-১৫ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন দেশি-বিদেশি আইটি ফার্মকে দিয়ে পুরো ব্যবস্থাপনাকে ঢেলে সাজানো।

ঘ) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কমকর্তাদের গতানুগতিক অফিস থেকে ভার্চুয়াল অফিসে অভ্যস্ত হওয়ার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুতি গ্রহণ করা;

ঙ) আয়কর আইনজীবীদের অভিজ্ঞতাকে ব্যবহার করার জন্য অঞ্চল ভিত্তিক ভার্চুয়াল মতবিনিয়ম সভা আহ্বান করা এবং পরামর্শ গ্রহণ করা;

২. বাস্তবায়ন পূর্বে বা মাঝামাঝি পর্যায়ে করণীয়:

ক) আয়কর, ভ্যাট ও কাস্টমস কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা। এ প্রশিক্ষণ কর্মশালাটিও অনলাইনে বাস্তবায়ন করা;

খ) ব্যাপক পরিসরে প্রচার করার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট করদাতা, কর্মকর্তা ও পেশাজীবীদের মাঝে একটা ধারণা তৈরি করা যে, আমরা এখন অতি সহজে আয়কর দিতে পারবো, এতে কোনও জটিলতা থাকবে না; আবার সঙ্গে সঙ্গে সকল স্তরের করদাতাকে করজালে আসারও সুযোগ তৈরি করা;

গ) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ইন্টারনেটের ব্যবহার ও কম্পিউটার পরিচালনা বাধ্যতামূলক করা;

ঘ) ৯টা-৫টা অফিসে না এসে দায়িত্বে থাকা কাজ সম্পন্ন করা;

ঙ) আয়কর আইনজীবীদের ও অঞ্চলভিত্তিক টার্গেট ঠিক করে কমিশন বা ভাতার আওতায় নিয়ে এসে অধিকতর সেবা গ্রহণ করার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করা;

৩. বাস্তবায়ন পর্যায়ে:

ক) ভার্চুয়াল করব্যবস্থার জন্য সময়োপযোগী আইন প্রণয়ন করা;

খ) প্রতিটি সার্কেল ভিত্তিক অনলাইনে মনিটরিং ব্যবস্থা গড়ে তোলা। এতে কোনও করাদাতকে নোটিশ করা, নোটিশের জবাব অনলাইনে গ্রহণ করার প্রক্রিয়া সংযুক্ত করা;

গ) Alternative dispute resolution (ADR) এর জন্য করদাতা, সংশ্লিষ্ট উপ-করকমিশনার, করদাতার আইনজীবী অনলাইন মিটিং/সভা/আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করার উদ্যোগ নেওয়া।

ঘ) কর-মামলাগুলো ভার্চুয়াল সভার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করার উদ্যোগ গ্রহণ করা;

ঙ) টিআইএন/বিআইএন গ্রহণকারীদের আয়-মনিটরিং করার জন্য তাদের নামে থাকা বিভিন্ন ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট নম্বরকে অনলাইন সিস্টেমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট করদাতার ই-ফাইলের সঙ্গে সংযুক্ত করা; যাতে সহজে লেনদেন মনিটরিং করা সম্ভব হয়।

ছ) করদাতাদের সেবার জন্য কার্যকর সেবা ইউনিট চালু করা। বর্তমানে থাকলেও কোন কোন সময় বিব্রত অবস্থায় পড়তে হয়, তা যেন না হয় সে দিকে লক্ষ রাখা।

ভার্চুয়াল কর ব্যবস্থায় সাফল্য আসতে পারে যেভাবে:

ক)   করোনায় রাজস্ব আদায়ে যে ঘাটতির আশঙ্কা করা হচ্ছে তা সহনীয় পর্যায়ে ধরে রাখা সম্ভব হবে;

খ)    প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ কর পরিশোধ, আদায় ও মনিটরিং সহজ হবে;

গ)    অল্প সময়ে অধিক সংখ্যক করদাতাকে করজালে আনা সম্ভব হবে;

ঘ)    কর ব্যবস্থাপনায় দক্ষ লোকবল তৈরি হবে;

ঙ)    অধিকতর স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে;

চ)    করবান্ধব পরিবেশ তৈরি হবে, যাতে করে করদাতা ও সরকারের সঙ্গে একটা সুসম্পর্ক গড়ে উঠবে;

ছ)    ব্যবসা বাণিজ্য সম্প্রচার ঘটবে এবং বিনিয়োগে তরুণ সমাজ ও দেশি-বিদেশিগণ উৎসাহ পাবেন;

জ)   প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও মহামারিকালীন  করদাতা ও সংশ্লিষ্ট কর্মী, পেশাজীবীদের অভিযোজিত হওয়ার মানসিকতা তৈরি হবে; যাতে করে নতুন নতুন কলা-কৌশল কাজে লাগানো সহজ হবে;

ঝ)   কর আদায়ে তথ্য প্রযুক্তির সুব্যবহার নিশ্চিত হবে;

ঞ)  জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সরকারের রাজস্ব আদায়ের যে টার্গেট তা অর্জনে সহায়ক শক্তি অর্জন করবে;

ট)    বিপুল সংখ্যক পেশাজীবীর সেবা নিশ্চিত হবে।

ভার্চুয়াল কর ব্যবস্থার অভিযোজিত হওয়ার চ্যালেঞ্জগুলো:

ক)   অধিকাংশ কর-কর্মকর্তা তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহারে অভ্যস্ত নয়; যার ফলে এ ব্যবস্থায় সহজে অভিযোজিত হতে চাইবেন না;

খ)    প্রয়োজনীয় দক্ষ লোকবলের অভাব;

গ)    কিছু সংখ্যক লোকের কর-ফাঁকি বা অবৈধভাবে আয় বন্ধ হয়ে যাবে, বিধায় এতে উৎসাহিত হতে চাইবেন না;

ঘ)    প্রয়োজনীয় ইকুইপমেন্ট সাপোর্ট নেই;

ঙ)    আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যবসা বাণিজ্য সম্প্রচারের সঙ্গে সঙ্গে প্রযুক্তির দক্ষতার অভাব (সংযোজিত হওয়ার ক্ষেত্রে  কারিগরি জ্ঞানের ব্যবহার ও প্রয়োগে দক্ষতার অভাব)

চ)    দ্রুততম সময়ে ভার্চুয়াল কর ব্যবস্থাপনার জন্য সময়োপযোগী একটি আইন বা নীতিমালা তৈরি করা;

ছ)    আমলাতান্ত্রিক জটিলতা।

ভার্চুয়াল কর ব্যবস্থায় অভিযোজিত হতে না পারলে যা ঘটবে:

ক) রাজস্ব আদায় আশঙ্কাজনকভাকে হ্রাস পাবে; যা হবে সার্বিক অর্থ ব্যবস্থাপনার জন্য একটি বড় হুমকি;

খ) দক্ষ জনবল গড়ে উঠবে না, ফলে দীর্ঘ মেয়াদে একটি বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হবে;

গ) তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহারের সঙ্গে অভিযোজিত হতে না পারলে সময়ের সঙ্গে অর্থনৈতিক বিপর্যয় পালাক্রমে বৃদ্ধি পেতে থাকবে;

ঘ) মহামারিকে পুঁজি করে অনেক করদাতা তথ্য গোপন করে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ফাঁকি দিতে পারেন:

ঙ) জবাবদিহিতার ঘাটতি চরম আকার ধারণ করতে পারে:

যেকোনও মহামারি বা প্রাকৃতিক দুর্যোগ অসুবিধার পাশাপাশি কিছু সুযোগও সৃষ্টি করে। আমাদের উচিত সুযোগগুলোকে কাজে লাগানো। আমরা মনে করি, করোনা সারাবিশ্বকে একটা বড় শিক্ষা দিচ্ছে, তা হলো অভিযোজন শিক্ষা, অভিযোজিত হওয়ার শিক্ষা। বিভিন্ন দেশের পাশাপাশি আমরাও এর সঙ্গে অভিযোজিত হবো এটাই আমাদের কৌশল। আর সে কৌশল হোক সেক্টরে সেক্টরে, অফিসে-অফিসে, কাজে-কর্মে, শিল্প-বাণিজ্যে, চাকরিতে, শিক্ষা-দীক্ষায় প্রতিটি ক্ষেত্রে; যে যেখানে পারি, যেভাবে পারি সেভাবে খাপ খাইয়ে নেওয়া এবং বিকল্প পদ্ধতি ব্যবহার করে টিকে থাকা। এটাই অভিযোজিত হওয়ার ধর্ম।

আশা করছি জাতীয় রাজস্ব বোর্ড নিজের স্বার্থে ও দেশের স্বার্থে, তথা জাতীয় অর্থনীতিকে গতিশীল রাখার স্বার্থে ভার্চুয়াল কর ব্যবস্থার প্রতি দ্রুত নজর দেবে।

লেখক: আয়কর আইনজীবী

ভিন্নমত আরও সংবাদ

রাজস্ব আদায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় আয়কর আইনজীবীরা

পিএইচএসসিএএ-লক্ষ্মীপুরটোয়েন্টিফোর সৃজনশীল লেখা প্রতিযোগিতা শুরু

শ্রেণি বৈষম্যের প্রতিযোগিতায় ‘অসুস্থ্য সমাজ’

হিরামনি বেঁচে থাকতে হলো ধর্ষিতা, মরার পরে আপনার প্রচারনার মডেল ?

রাজস্ব আদায়ে ভার্চুয়াল কর পদ্ধতি ও অভিযোজন জরুরি

করোনাকালে আমার সহচরগণ কেউ ঘুমিয়ে, কেউ চাপে

লক্ষ্মীপুরটোয়েন্টিফোর মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন  
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত : লক্ষ্মীপুরটোয়েন্টিফোর ( © ২০১২-২০২০)
সম্পাদক ও প্রকাশক: সানা উল্লাহ সানু, উপদেষ্টা সম্পাদক: রফিকূল ইসলাম মন্টু ।
রতন প্লাজা(৩য় তলা), চক বাজার, লক্ষ্মীপুর-৩৭০০।
ফোন: ০১৭৯৪-৮২২২২২, WhatsApp , ইমেইল: news@lakshmipur24.com