সব কিছু
facebook lakshmipur24.com
লক্ষ্মীপুর মঙ্গলবার , ১৪ই জুলাই, ২০২০ ইং , ৩০শে আষাঢ়, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ , ২৩শে জিলক্বদ, ১৪৪১ হিজরী
ঊনিশের উপকূল কেমন ছিল? - Lakshmipur24.com

ঊনিশের উপকূল কেমন ছিল?

34
Share

ঊনিশের উপকূল কেমন ছিল?

রফিকুল ইসলাম মন্টু: ঊনিশের উপকূল। কোথাও ছিল আলো, কোথাও আঁধার। কোন দ্বীপে আলো ফুটেছে। বৈদ্যুতিক বাল্বের স্বচ্ছ কাঁচের ভেতর দিয়ে বিচ্ছুরিত আলো আলোকিত করছে চারপাশ। এরই পাশাপাশি কোন দ্বীপে বেড়েছে শংকা। আদৌ বসতি থাকবে কীনা, সেই ভয় সারাক্ষণ। কোন এলাকায় জেলের মুখে হাসি, আবার মাছ ধরতে গিয়ে কেউ ফিরেছে লাশ হয়ে। পরিবারে শোকের মাতম। চলছে তাদের সংকটকাল। সারা জাগানো অপরাধ-সহিংসতার ঘটনা ছিল; ছিল দুই প্রবল প্রাকৃতিক দুর্যোগের থাবা। সুন্দরবনের কান্না থামানো যায়নি। আশানিরাশার দোলাচলে অবশেষে ইলিশ জেলের ঘরে ফিরেছে সুদিন। শেষ অবধি ধরা দিয়েছে ইলিশ। এইসব নিয়ে ছিল ঊনিশের উপকূল।

কারও মুখে হাসি, কেউ ফেরে লাশ হয়ে!
বছরের শুরুর দিকে সুখবর নিয়ে আসে উপক‚লের এক জেলের জীবনে। ৫ জানুয়ারি কক্সবাজারের টেকনাফে বঙ্গোপসাগরে জালে ধরা পড়ে বিশাল এক পোয়া মাছ। ৩৫ কেজি ওজনের এ মাছটি বিক্রি হয় আড়াই লাখ টাকায়। দ্বীপের বাসিন্দা আবদুল গনি এই ভাগ্যবান জেলে। পূর্ব উপক‚লে এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকে। বছরের শেষের দিকে ৫ নভেম্বর মহেশখালীর জেলে জামাল উদ্দিনের জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয় লাল পোপা মাছ। তার জালে আটকা পড়া ৮১টি পোপা মাছ বিক্রি হয় ৪০ লাখ টাকায়। ডিসেম্বরে শাহপরীর দ্বীপের আরও এক জেলে একদিনে ৬ লাখ টাকার মাছ পান। পূর্ব উপক‚ল ছাড়িয়ে মাছ পাওয়ার এই চমক ছুঁয়ে যায় পশ্চিম উপক‚লের শ্যামনগর। ২৩ ডিসেম্বর সেখানকার মুন্সিগঞ্জের হরিনগর গ্রামের জেলে মনজু গাজী সুন্দরবনে নদীতে জাল ফেলে এক সঙ্গে ধরেন ১২১টি মেইদ মাছ; যার মূল্য ৫ লাখ ৭০ হাজার টাকা। হাসির পাশে আবার আছে কান্না। এবছর প্রায় ৩০জন জেলে সমুদ্র ও সন্নিহিত এলাকায় মাছ ধরতে গিয়ে লাশ হয়ে ফিরেছেন। এদের মধ্যে ২২জনই ভোলার চরফ্যাসনের, ৬জন পিরোজপুরের। দুর্যোগ মৌসুমে এ ঘটনা ঘটে।

অপরাধ-সহিংসতার শীর্ষ তিন
এ বছর উপকূল জুড়ে ঘটে যাওয়া নানামূখী অপরাধ সহিংতার ঘটনার মধ্যে তিনটি ঘটনা শীর্ষে। কাঁপিয়ে দিয়েছে গোটা দেশ, নাড়িয়ে দিয়েছে বিশ্ব বিবেক। ফলে উপক‚লের এই তিন ঘটনা আর স্থানীয় ঘটনা হিসাবে থাকেনি। জাতীয় ঘটনাগুলোর মধ্যেও এগুলো শীর্ষ স্থানে রয়েছে। এর একটি হচ্ছে ফেনীর সোনাগাজীতে মাদ্রাসা ছাত্রী নুসরাতকে পুড়িয়ে মারার ঘটনা এবং অতি অল্প সময়ের মধ্যে এর রায় প্রদান। ৬ এপ্রিল ঘটে যাওয়া ঘটনার রায় ঘোষণা হয় ২৪ অক্টোবর। মাদ্রাসা অধ্যক্ষ সিরাজ উদ্দিনের যৌন হয়রানির প্রতিবাদ করতে গিয়ে নুসরাতকে অপরাধীদের রোষে পড়তে হয়। বরগুনায় রিফাত শরীফ হত্যাকান্ড উপক‚লের আরেকটি আলোচিত ঘটনা। তাকে বরগুনা জেলা সদরে প্রকাশ্য দিবালোকে কুপিয়ে হত্যা করে প্রতিপক্ষ। এ ঘটনার উত্তাপ ছড়ায় রাজনীতির মাঠ পর্যন্ত। বছরের শেষভাগে দ্বীপ জেলা ভোলায় ঘটে যায় আরেকটি অনাংখিত ঘটনা। ফেসবুক আইডি হ্যাক করে অপপ্রচার এবং তা নিয়ে হুলস্তুল কান্ড। রঞ্জিত হয় রাজপথ।
কান্না থামেনি সুন্দরবনের
প্রতিবছরই কোন না কোন ঘটনায় কাঁদতে হয় সুন্দরবনকে। ঊনিশেও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। বছরের শুরুতে এবং শেষে দু’ দুবার ঘূর্ণিঝড়ের ছোবল বুক পেতে ঠেকিয়েছে সুন্দরবন। সুন্দরবনের বহু গাছপালা ও প্রাণীর ক্ষতি হয়েছে। এবছর ২০ আগষ্ট পূর্ব সুন্দরবনের কটকা অভয়ারণ্যের ছাপড়াখালী এলাকায় একটি রয়েল বেঙ্গল টাইগারের মৃতদেহ পাওয়া যায়। বন প্রহরীরা তাদের নিয়মিত টহলের সময় এটি উদ্ধার করেন। এটি ছিল স্ত্রী বাঘ (বাঘিনী)। এর দৈর্ঘ্য সাত ফুট ও উচ্চতা তিন ফুট। বন বিভাগ বলেছে, স্বাভাবিকভাবেই বাঘটির মৃত্যু হয়েছে। বছরের শেষ দিকে ডিসেম্বরে প্রতিবেশগত হুমকির মুখে থাকা সুন্দরবন পরিদর্শন করেছে জাতিসংঘের যৌথ মিশনের চার সদস্যের প্রতিনিধিদল। তাদের দেওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থার (ইউনেস্কো) ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ কমিটি সুন্দরবনের প্রাণ-প্রকৃতির বর্তমান ঝুঁকির বিষয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করবে।
ছোবল দিয়েছিল ফণী, বুলবুল
ঊনিশের প্রথমার্ধে ৪ মে বাংলাদেশে আঘাত করে ঘূর্ণিঝড় ফণী। শক্তিশালী এ ঘূর্ণিঝড়টি ভারতের উড়িষ্যায় আঘাত করে দুর্বল হয়। বাংলাদেশও এর ঝাপটা এড়াতে পারেনি। এ ঘূর্ণিঝড়ে প্রাণ হারিয়েছে ১৫জন, ক্ষতিগ্রস্থ হয় বহু ঘরবাড়ি। প্রবলমাত্রার ঘূর্ণিঝড় ফণী ভারতের উড়িষ্যা রাজ্যে আঘাত হানা একটি শক্তিশালী গ্রীষ্মমন্ডলীয় ঘূর্ণিঝড। এটি ২০১৯ সালে উত্তর ভারত মহাসাগরের মৌসুমের দ্বিতীয় নামাঙ্কিত ঝড় এবং প্রথম অত্যন্ত তীব্র ঘূর্ণিঝড়। বেশ কয়েকদিন ধরে ফণী মোকাবেলার প্রস্তুতি চলে বাংলাদেশে। ভারতে আঘাত বাংলাদেশকে বাঁচিয়ে দিয়েছে। ঊনিশের দ্বিতীয় ঘূর্ণিঝড়টি আঘাত হানে ৯ নভেম্বর। বুলবুল নামের এক ঘূর্ণিঝড়টিও প্রবল শক্তি নিয়ে বাংলাদেশের দিকে এসেছিল। তবে ভারতে আঘাত করে এটিরও শক্তি কমে যায়। এ ঘূর্ণিঝড়ে জানমালের তেমন কোন ক্ষতি না হলেও পশ্চিম উপকূলে জনজীবন অস্বাভাবিক হয়ে পড়ে। সুন্দরবনের গাছপালার ক্ষতি হয়।
নদী-ভাঙনের ছোবল
ঊনিশে নদী-ভাঙনের সবচেয়ে বড় আঘাত ছিল উপকূলীয় জেলা লক্ষ্মীপুরের মেঘনাতীরের উপজেলা কমলনগরে। সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের দিকে ব্যাপক ভাঙন শুরু হয়। বিলীন হয় শত শত বসতবাড়ি। স্কুল ভবন, মসজিদ, মাদ্রাসা, কমিউনিটি ক্লিনিক, দোকানপাট, ঈদগাহ মাঠ, রাস্তাঘাটসহ বহু স্থাপনা মেঘনায় বিলীন হয়েছে। বহু মানুষ বসেছে পথে। বছর জুড়েই কমলনগর এলাকায় নদী ভাঙন নিয়ে মানুষের মাঝে ছিল আতংক। ভোলা সদর, মনপুরা উপজেলায় নদীভাঙনের মাত্রা আগের চেয়ে কিছুটা কমলেও চরফ্যাসনের দ্বীপ ইউনিয়ন ঢালচরে ভাঙনের তীব্রতা ব্যাপক বাড়ে এই বছরে। মাত্র এক বছর আগে হস্তান্তর হওয়া নতুন মডেলের ইউনিয়ন পরিষদ ভবন ভেঙে ফেলা হয়েছে এ বছরই। ভাঙনের কারণে সর্বস্ব হারিয়ে দ্বীপের বহু মানুষ আশ্রয় নিয়েছে অন্যত্র। ভাঙন থামেনি সাতক্ষীরার আশাশুনি, গাবুরা, খুলনার কয়রা এবং বাগেরহাটের শরণখোলার বগী এলাকায়। শরণখোলার যে স্থানে ২০০৭ সালে সিডর আঘাত হেনেছিল; সেই স্থান আজও অরক্ষিত। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বাঁধ নির্মাণ হলেও বগী এলাকায় সে বাঁধ বার বার ধ্বসে যাচ্ছে। কক্সবাজারের দ্বীপ উপজেলা কুতুবদিয়ার কয়েকটি এলাকা এখনও ভাঙনের মুখে।
কোথাও আলো, কোথাও আঁধার
ঊনিশে আলো পৌঁছেছে চট্টগ্রামের দ্বীপ উপজেলা সন্দ্বীপে। আগের বছর সমুদ্রের তলদেশ দিয়ে সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে বৈদ্যুতিক লাইন টানা হয় সেখানে। ঊনিশের মাঝামাঝি বিদ্যুত সংযোগ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যদিয়ে দ্বীপবাসীর বহুদিনের স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। বিদ্যুত সুবিধা মানুষের জীবনে আলো ফেরাবে। একইভাবে নদীর তলদেশ দিয়ে লাইন টেনে দ্বীপ ইউনিয়ন কুকরী মুকরীতে বিদ্যুত পৌঁছানোর সকল আয়োজন সম্পন্ন হয়েছে ঊনিশে। অচিরেই বিদ্যুত পৌঁছাবে সেখানে। কিন্তু কোথাও কোথাও আলোকিত হলেও কিছু এলাকা ঊনিশেও ছিল অন্ধকারে। কিছু মানুষ সেই তিমিরে। খুলনার দাকোপের কালাবগি এলাকার মানুষের অবস্থা আরও খারাপের দিকে। ঝুলন্ত পাড়ায় কাটছে তাদের কষ্টের দিন। অন্যদিকে পূর্ব উপকূলে দেশের একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ মহেশখালীর বহু এলাকার মানুষ উন্নয়নে অতীষ্ট। উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নের সোনাদিয়া ওয়ার্ডে কোন বসতি না রাখার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সেখানকার মানুষ আতংকে। বরগুনার তালতলীতে উন্নয়নের নামে একটি বেসরকারি কোম্পানির হাজার হাজার একর ফসলি ও বসতি জমি ক্রয় অব্যাহত ছিল ঊনিশেও। সেখানেও মানুষজন আতংকগ্রস্থ।

বেড়িবাঁধ, ভাঙা-গড়া
সমগ্র উপকূল জুড়েই বেড়িবাঁধে চলছে ভাঙা-গড়া। ঊনিশে অনেক স্থানে নতুন বেড়িবাঁধের জন্য অর্থ বরাদ্দ হলেও অনেক স্থানের অবস্থা আগের মতই ছিল ঝুঁকিপূর্ন। ২০০৫ সালে ঘূর্ণিঝড় আইলার পর থেকে পশ্চিম উপকূলের অনেক স্থানে নড়বড়ে হওয়া বাঁধ ঊনিশ পর্যন্ত সেভাবেই ছিল। ঊনিশের মে মাসে ঘূর্ণিঝড় ফণীর পরে পানিসম্পদ মন্ত্রী ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ঘুরে এসেছেন পশ্চিম উপকূলের অনেক এলাকা। অবস্থা নাজুক দেখে সেখানে বেড়িবাঁধ নির্মাণের লক্ষ্যে একটি মেগা প্রকল্প নেওয়া হয়, দেওয়া হয় অর্থ বরাদ্দ। তবে ঊনিশ পর্যন্ত ওই অর্থে কোন কাজ শুরু হয়নি। ঊনিশের বছর জুড়েই আশাশুনি, শ্যামনগরের গাবুরা, কয়রার গোবরা, কুতুবদিয়ার উত্তর ধুরুংসহ বিভিন্ন এলাকার মানুষ আতংকে সময় পার করেছে। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে খুলনার দাকোপ, বাগেরহাটের শরণখোলায় বেড়িবাঁধ নির্মাণের কাজ চললেও তা নিয়ে রয়েছে অনেক প্রশ্ন। বেশ কয়েকটি এলাকা ঘুরে দেখা যায়, বহু বসতি বাইরে রেখেই নির্মিত হচ্ছে বাঁধ।

ইলিশ উৎসব, অন্যরকম যাত্রা

ঊনিশে ব্যতিক্রমীধারার ইলিশ উৎসব হয়ে গেল উপক‚লীয় জেলা বরগুনায়। অর্ধ লক্ষাধিক মানুষের সমাগম হয়েছিলো এ উৎসবে। একদিনেই ৮৭ লাখ টাকার ইলিশ বিক্রি হয়েছে। বরগুনা জেলা প্রশাসন ও জেলা টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরাম এ উৎসবের আয়োজন করে। অনুষ্ঠিত হয় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা। এতে ইলিশের বহুমূখী প্ল্যাকার্ড ও দৃষ্টিনন্দন ভাস্কর্য নিয়ে অংশ নেয় নারী-পুরুষ ও কিশোর-কিশোরীসহ সহস্রাধিক জনতা। শোভাযাত্রা শেষে বেলুন উড়িয়ে ও উদ্বোধনী নৃত্যের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় ইলিশ উৎসব। উদ্বোধনী নৃত্যে উঠে আসে আবহমান বাংলার জল-জাল ও জেলেদের জীবন। উৎসবে ছিল ইলিশ বিষয়ক নাটক, আলোচনা সভা, কুইজ প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। উৎসবে জেলার ছয়টি উপজেলা থেকে ২৫টিরও বেশি স্টল শোভা পায়। স্টলগুলোতে রান্না ইলিশের শতেক রকমের বাহারি খাবার প্রদর্শিত হয়। স্বল্পমূল্যে বিক্রি করা হয় পায়রা, বিষখালী ও বলেশ্বর নদীসহ বঙ্গোপসাগরের সুস্বাদু তাজা ইলিশ। বরগুনার প্রধান তিনটি নদী পায়রা, বিষখালী, বলেশ্বর ও বঙ্গোপসাগর থেকে প্রতিবছর ইলিশ আহরিত হয়ে থাকে প্রায় এক লাখ মেট্রিকটন। এই প্রেক্ষাপটে এ জেলায় ইলিশ গবেষণাকেন্দ্র ও ইলিশ মিউজিয়াম স্থাপনের দাবি উত্থাপন, মৎস্যজীবীদের সঙ্গে সর্বস্তরের জনগণের মেলবন্ধন, মাছ ধরার নৌকাসমূহকে আধুনিকায়ন, ইলিশ অবতরণের ঘাটসমূহকে আরও আধুনিক সুযোগ-সুবিধার সংযোজন এসব লক্ষ্য সামনে রেখে প্রথমবারের মত এ উৎসবের আয়োজন করা হয়।

রোহিঙ্গা, ভাষানচর, নতুন থানা
উপকূলের নোয়াখালী জেলার হাতিয়ার দ্বীপ ভাষানচর ঊনিশেও ছিল আলোচনায়। মায়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গাদের একটি অংশ এই দ্বীপে আনার লক্ষ্যে সরকার কাজ শুরু করে আগে থেকেই। ঊনিশে এ দ্বীপের রোহিঙ্গা ক্যাম্পের অধিকাংশ কাজ সম্পন্ন হয়। রোহিঙ্গাদের জন্য এ দ্বীপ প্রস্তুত করা হয় এ বছরই। এরইমধ্যে নোয়াখালীর জেলাধীন এই ভাষানচরকে নতুন থানা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয়ে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকা)’র বৈঠকে ২১ অক্টোবর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ইলিশে সুদিন অব্যাহত

ইলিশ জেলের ঘরে সুদিন ফিরিয়েছে ঊনিশ। নানামূখী প্রতিবন্ধকতা, বিধিনিষেধ থাকলেও এবছর মৌসুমের শেষ দিকে ইলিশ পেয়েছেন জেলেরা। ভোলা, পটুয়াখালী, বরগুনা, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুরসহ বিভিন্ন এলাকার জেলেরা মোটামুটি পুষিয়ে নিতে পেরেছেন। তবে ইলিশ মৌসুমের প্রথমদিকে ছিল বেশ হতাশা। অন্যদিকে অন্যান্য বছর মেঘনা, তেঁতুলিয়া নদীতে বিপুল পরিমাণ ইলিশ মিললেও এবার ব্যতিক্রম ঘটেছে। কিনার থেকে খানিক সমুদ্রের কাছাকাছি গিয়ে যারা জাল পেতেছেন, তারাই পেয়েছেন বেশি ইলিশ।

লেখক: উপকূল সন্ধানী সাংবাদিক, উপকূল দিবসের প্রবর্তক

ভিন্নমত আরও সংবাদ

পিএইচএসসিএএ-লক্ষ্মীপুরটোয়েন্টিফোর সৃজনশীল লেখা প্রতিযোগিতা শুরু

শ্রেণি বৈষম্যের প্রতিযোগিতায় ‘অসুস্থ্য সমাজ’

হিরামনি বেঁচে থাকতে হলো ধর্ষিতা, মরার পরে আপনার প্রচারনার মডেল ?

রাজস্ব আদায়ে ভার্চুয়াল কর পদ্ধতি ও অভিযোজন জরুরি

করোনাকালে আমার সহচরগণ কেউ ঘুমিয়ে, কেউ চাপে

ডিজিটাল আয়কর রিটার্ন জমা দেয়ার প্রস্তুতি নেয়ার উপযুক্ত সময় এখন

লক্ষ্মীপুরটোয়েন্টিফোর মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার: লক্ষ্মীপুরটোয়েন্টিফোর (২০১২-২০২০)
সম্পাদক ও প্রকাশক: সানা উল্লাহ সানু, উপদেষ্টা সম্পাদক: রফিকূল ইসলাম মন্টু ।
রতন প্লাজা(৩য় তলা), চক বাজার, লক্ষ্মীপুর-৩৭০০।
ফোন: ০১৭৯৪-৮২২২২২, ইমেইল: [email protected]