সব কিছু
facebook lakshmipur24.com
লক্ষ্মীপুর শুক্রবার , ৩০শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ , ১৪ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ , ১৩ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪২ হিজরি
শীতে লক্ষ্মীপুর-নোয়াখালীতে হাঁসপার্টির ধূম, আয়োজনে এগিয়ে তরুণরা - Lakshmipur24.com

শীতে লক্ষ্মীপুর-নোয়াখালীতে হাঁসপার্টির ধূম, আয়োজনে এগিয়ে তরুণরা

শীতে লক্ষ্মীপুর-নোয়াখালীতে হাঁসপার্টির ধূম, আয়োজনে এগিয়ে তরুণরা

তীব্র শীতে হাঁসের মাংসের সঙ্গে চিতই পিঠা বা সিদ্ধ রুটি লক্ষ্মীপুর জেলার একটি ব্যতিক্রমী ও ঐতিহ্যবাহী ভোজন বিলাসী আয়োজন। দীর্ঘদিন থেকে চলে আসছে ব্যতিক্রমী এ ঐতিহ্য। তবে বর্তমানে এ রকম আয়োজন চলছে জেলার প্রায় সকল উপজেলা এমনকি পাড়া মহল্লায়।

আয়োজনের সাথে জড়িতদের মাঝে বেশির ভাগই তরুণ বা যুবক। আয়োজন চলে বয়স্ক বন্ধুদের মাঝেও। এমনকি রাজনৈতিক নেতার তুষ্টিতেও হয় এ রকম আয়োজন। তাই শীত আসলেই এ অঞ্চলে হাসেঁর মাংশের চাহিদা বেড়ে যায় বহুগুণ।

সে জন্য মাংসের বাজারে এখন হাঁসের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। আর হাঁেসর চাহিদার বেশির ভাগ জোগান আসে চর বেশিষ্টিত কমলনগর এবং রামগতি উপজেলা থেকে। বৃহস্পতিবার(২৬ ডিসেম্বর) কমলনগরের তোরাবগঞ্জ বাজারে গিয়ে দেখা যায় প্রতি জোড়া মাঝারি সাইজের হাঁস বিক্রি হচ্ছিল ৬০০-৯০০ টাকায়। যা কয়েক দিন আগেও তা ৫০০-৭০০ টাকায় পাওয়া যেত বলে জানান ক্রেতা আবদুল মালেক।

জেলার কমলনগরের চর লরেঞ্চ গ্রামের যুবক আবদুস সালাম জানান, লক্ষ্মীপুর জেলা ব্যাপী যে সব সামাজিক অনুষ্ঠানে আপ্যায়নের ব্যবস্থা থাকে সে গুলোর সবটারই কোনো না কোনো ব্যানারে এবং কোনো না কোনো উদ্দেশ্যের আপ্যায়ন। কিন্তু এসব কিছুর বাহিরে প্রতি বছর শীতে প্রায় প্রতিটি পরিবার আর বন্ধু বান্ধবদের মাঝে এক মাত্র আনন্দের জন্য আয়োজন হচ্ছে হাঁসপার্টি। যা বেশিরভাগই হয় তরুণ বা যুবকদের উদ্যোগে।

হাঁসের মাংসের সঙ্গে থাকে রুটি। শীতের তীব্রতা বৃদ্ধির সাথে সাথে বাড়তে থাকে এ রকম আয়োজন। ফলে শীতে হাসেঁর মাংস খাওয়া এ এলাকার এক অঘোষিত এক রেওয়াজে পরিণত হয়েছে।

এ বিষয়ে কথা হয় কমলনগর উপকূল ডিগ্রী কলেজের স্নাতকের ছাত্র আরিফুর রহমান ( ২১) নামে একজনের সাথে। তিনি জানান বিভিন্ন ব্যস্ততার কারণে ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও অনেকে বাড়িতে হাঁসের মাংস খেতে পারেন না। তাই আমরা প্রতি বছর শীতে বন্ধুরা মিলে এ রকম আয়োজন করে থাকি। এটা হাসঁ খাওয়া আর আনন্দ ভাগাভাগি করা। প্রথম প্রথম সম্পূর্ণ নিজস্ব বন্ধুবান্ধবরা মিলেই করতাম। এখন চাকুরীজীবি ম্যাচে, কলেজ ম্যাচে ও আয়োজন করি। তার ভাষায় এ রকম আয়োজনের মাধ্যমে অনেকের বন্ধুত্ব বৃদ্ধি পায়।

ভোজন রসিকদের চাহিদা মেটাতে অনেকে শীতের আগে আগে হাঁস পালন শুরু করেন। জেলার কমলনগর উপজেলার ভুলুয়া নদের চরে তেমনই একজন হাঁসচাষী কামাল উদ্দিন। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় তিনি এই শীতে প্রায় বারোশ হাঁসের একটি খামার গড়ে তুলেছেন।

কামাল উদ্দিনের বয়স ৪৫ পার হয়েছে। এলাকায় ‘পাখি বেপারী কামাল’ নামে তিনি পরিচিত। অন্যকিছু করেন না। কেবল পশুপাখি লালন-পালন আর বাজারজাতকরণই তার জীবিকার একমাত্র মাধ্যম। মৌসুম বুঝে তিনি খামার করেন।

ঐতিহ্যবাহী ভোজন বিলাসী এই হাঁসের চাহিদা মেটাতে কামাল উদ্দিনের মতো চাষীরা রাখছেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা এমনটাই মনে করেন এখানকার সাধারণ মানুষ।

সদর আরও সংবাদ

প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যানের সঙ্গে লক্ষ্মীপুরের সাংবাদিকদের মতবিনিময়

লক্ষ্মীপুরে যুবদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে বিভক্ত আয়োজন

পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় লক্ষ্মীপুর জেলা ছাত্রলীগ সভাপতির মায়ের মৃত্যু

লক্ষ্মীপুরে ৩ ইউপিতে নৌকার প্রার্থীরা বিজয়ী

করোনায় জনপ্রতিনিধিদের মৃত্যুর পর লক্ষ্মীপুরের পাঁচ ইউপিতে উপ-নির্বাচন মঙ্গলবার

লক্ষ্মীপুর জেলা নিয়ে নির্মিত হচ্ছে ভিন্নধর্মী একটি ভিডিও গান

লক্ষ্মীপুরটোয়েন্টিফোর মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন  
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত : লক্ষ্মীপুরটোয়েন্টিফোর ( © ২০১২-২০২০)
সম্পাদক ও প্রকাশক: সানা উল্লাহ সানু, উপদেষ্টা সম্পাদক: রফিকূল ইসলাম মন্টু ।
রতন প্লাজা(৩য় তলা), চক বাজার, লক্ষ্মীপুর-৩৭০০।
ফোন: ০১৭৯৪-৮২২২২২, WhatsApp , ইমেইল: news@lakshmipur24.com