রায়পুরের ব্রিজটিতে যানবাহন চলতে পারে না যে কারণে

তাবারক হোসেন আজাদ: গ্রামবাসীর সুবিধার্থে ১২ বছর আগে ডাকাতিয়া নদীর উপর নির্মান করা হয়েছিল ব্রিজটি। উপজেলা এলজিইডি কার্যালয়ের তত্বাবধানে ২ কোটি ৪৫ হাজার টাকা ব্যয়ে  নির্মান হয়। কিন্তু সড়কের দুই পাশে মাটি ভরাট না করায় ও জঙ্গল সৃষ্টি হওয়ায় বর্তমানে কোন যানবাহন চলাচল তো করেই না।  বরং গ্রামবাসীর যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ব্রিজটি লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার ৩ নং চরমোহনা-১০ নং রায়পুর ও ৯ নং দক্ষীন চর আবাবিল ইউপির মধ্যখানে মিতালিবাজার এলাকার সংলগ্ন ডাকাতিয়া নদীর উপর নির্মিত।

এলজিইডি কার্যালয় সুত্রে জানাযায়-‘২০০৭ সালে ২ কোটি ৪৫ হাজার টাকা ব্যয়ে জেলার মাসুম বিল্ডার্স নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ব্রিজটি নির্মান করেন। আমাদের অজান্তে ঠিকাদার ব্রিজের দু’পাশে মাটি ভরাট না করেই বিল তুলে নিয়ে যায়। শনিবার মোঃ রিয়াদ ও মাজেদ হোসেনসহ কয়েকজন গ্রামবাসী জানান-এ ব্রিজটির উপর দিয়ে তিন ইউনিয়নের ৭ গ্রামের (চরমোহনা, রায়পুর, চরআবাবিল,মিতালিবাজার,গাইয়ারচর, দেবিপুর, শায়েস্তানগর) ৮ টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ৫ হাজার শিক্ষার্থীসহ গ্রামবাসি যাতায়াত করতে হয়। ঠিকাদার ব্রিজের দু’পাশে মাঠি ভরাট না করেই চলে যায়। কয়েকবার মাটি ভরাট করার জন্য ইউপি চেয়ারম্যান ও প্রকৌশলিসহ ঠিকাদারকে বলার পরও কেও তা শুনেনি।

ব্রিজ সংলগ্ন বসবাসকরা কয়েকটি পরিবারের লোকজন ফসলি জমির মাটি কেটে ব্রিজের দু’পাশে ভরাট করে। এখন গ্রামবাসির যাতায়াত ছাড়া কোন যানবাহন চলাচল করতে পারছে না।

এ প্রসঙ্গে চরমোহ ইউপি চেয়ারম্যান শফিক পাঠান এ প্রতিনিধিকে বলেন, তোমার দরদ লাগলে নীজের পকেটের টাকা দিয়ে ব্রিজের দু’পাশে মাটি ভরাট করে দেও।

তবে রায়পুর ইউপি চেয়ারম্যান শফিউল আজম চৌধুরি সুমন বলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান ও ইউএনও মহোদয় সু-দৃষ্টি দিলে কাজটি হতে পারে। উপজেলা প্রকৌশলি আক্তার হোসেন ভুইয়া বলেন, গ্রামবাসী অভিযোগ দিলে ঠিকাদারকে বলার পরও সে করছে না। কয়েকদিনের মধ্যে বাজেট হলে তা আমরাই করে দিবো।