সব কিছু
লক্ষ্মীপুর মঙ্গলবার , ১৮ই জুন, ২০১৯ ইং , ৪ঠা আষাঢ়, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ১৫ই শাওয়াল, ১৪৪০ হিজরী

৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত রোগীদের কাছে ক্যামেরা বন্ধ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত রোগীদের কাছে ক্যামেরা বন্ধ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

চকবাজারে আগুন লাগার ঘটনায় সাংবাদিকদের অতি তথ্য সংগ্রহের প্রবণতা উদ্ধার কাজে ব্যাঘাত ঘটিয়েছে ও আহতদের জন্য ক্ষতিকর হয়ে উঠছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওইদিন উদ্ধার তৎপরতা চলার ঘটনা একাধিক টেলিভিশনে দেখেছেন উল্লেখ করে তিনি মন্তব্য করেন, সেসময় সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের যেভাবে বারে বারে প্রশ্ন করা হয়েছে তাতে উদ্ধারকাজ বাধাগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়াও এ ধরনের দুর্ঘটনার অন্তত ৭২ ঘণ্টা না যাওয়া পর্যন্ত রোগীর কাছে ক্যামেরা নিয়ে যাওয়া, তাকে দেখানো, ছবি তোলা এসব বন্ধ করতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

শনিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইনস্টিটিউটে আগুনে দগ্ধদের দেখতে গিয়ে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, বার্ন ইনস্টিটিউটে আগুনে দগ্ধদের দেখার পর হাসপাতালে একটি ব্রিফিং করেন প্রধানমন্ত্রী। এতে তিনি চকবাজারে ওইদিনের দুর্ঘটনা পরবর্তী পরিস্থিতি এবং সরকারের অবস্থানের বিভিন্ন প্রসঙ্গ তুলে ধরেন।

এ ধরনের দুর্ঘটনায় রোগীর কাছে যাওয়া ও ছবি তোলার ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের আরও সাবধানতা অবলম্বনের ব্যাপারে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ‘চিকিৎসা চলাকালে যে কোনও মুহুর্তে  রোগীর ইনফেকশন হতে পারে, রোগীর অবস্থা খারাপ হতে পারে। মানুষ ইমোশনাল হয়ে যেতে পারে। সেটাও সেসময় তার জন্য ক্ষতিকর। তাই অন্তত ৭২ ঘণ্টা না যাওয়া পর্যন্ত রোগীর কাছে ক্যামেরা নিয়ে যাওয়া, তাকে দেখা, ছবি তোলা বন্ধ করতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যখনই কোনও ঘটনা ঘটে, এতো লোক জমে যায় যে যারা উদ্ধার কাজে যাবে (তারা) রাস্তা পায় না, জায়গা পায় না। উদ্ধারকাজ বাধাগ্রস্ত হয় নানা প্রশ্নের উত্তর দিতে দিতে।’

টেলিভিশনের সাংবাদিকদের সচেতন হতে আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘টেলিভিশনের সাংবাদিকরা একের পর এক প্রশ্ন করে যাচ্ছেন। আমি নিজেও দেখছিলাম।  এটা প্রশ্ন করার সময় কিনা, উত্তর আশা করেন কীভাবে? কতজন মারা গেছে, কী হলো না-হলো।…’

টেলিভিশন সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি পাল্টা প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘এটা কি প্রশ্ন করার সময়? ভদ্রলোক ( উদ্ধার কাজে নিয়োজিত ব্যক্তি) কাজে যাবেন, তাকে আটকে রেখে প্রশ্ন করা হচ্ছে।’

কোনও কোনও চ্যানেল এ কাজটি করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সুষ্ঠুভাবে যেন তারা (উদ্ধার কর্মীরা) তাদের দায়িত্ব পালন করতে পারেন সেইটি দেখবেন।’

চকবাজারে আগুন লাগার পর দলের সবাইকে সেখানে গিয়ে ভিড় না করার নির্দেশ দিয়েছিলেন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘আমি সেসময় আমাদের (দলের) সবাইকে নিষেধ করেছি ওখানে যাওয়া যাবে না। সকালবেলা জেনারেল সেক্রেটারি ওবায়দুল কাদেরকে বলেছি ‘বেশিদূর যাবা না, সামান্য একটু গিয়ে খোঁজ নিয়ে আসো, ওখানে ভিড় করতে পারবে না কেউ।’’

বৈধ অবৈধ সব কারখানাকে কেরাণীগঞ্জে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল আমাদের উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তখন অনেকে রাজি হননি। আধুনিক গোডাউন তৈরি করে দিতে চেয়েছিলাম বহুতল ভবন করে, যাতে দুর্ঘটনা না ঘটে বা ঘটলেও যেন ব্যবস্থা নেওয়া যায়। মালিকরা রাজি হন নাই। অনেকে প্লট চেয়েছেন।  প্লট নিয়ে কীভাবে করবেন?

তিনি বলেন, ‘সুরক্ষিত করবার জন্য আধুনিক পদ্ধতি আছে। সেই ধরনের ব্যবস্থা নিতে চেয়েছিলাম, সেটাই এখন করা প্রয়োজন। মালিকরা সেখানে ভাড়া নিতে পারবেন, কাজ করতে পারবেন।’

পুরান ঢাকা সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আমাদের সমস্যা হচ্ছে ( সেখানে) এত গলি, সেখানেই ফায়ার সার্ভিসের পৌঁছানো কষ্ট। মানুষের ঔৎসুক্যটা বেশি। ক্যামেরা নিয়ে ছবি তোলেন, দেখতে আসেন ভালো। আসার সময় পানি নিয়ে আসেন, বালু নিয়ে আসেন সেটাও কাজে লাগে। হাজার হাজার লোক যদি এক বালতি করে পানি আনতো, বালু জোগাড় করে আনতো সেটাও ভালো হতো।’ বাংলাট্রিবিউনের সৌজন্যে:

ঘরে-বাহিরে আরও সংবাদ

শ্বশুর বাড়ি এসে শিকল বন্দি জামাই

ওড়িশায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৩

অনলাইন পত্রিকায় অভ্যস্ত হোন: প্রধানমন্ত্রী

গ্রামীণফোনের কলরেট ও ডেটা রেট বাড়ছে

ফেসবুক লাইভে কোরআন অবমাননা, সেফুদার ফাঁসির দাবি

হঠাৎ ধর্মঘটে দুর্ভোগে লক্ষ্মীপুর-ভোলা-বরিশালের যাত্রীরা

লক্ষ্মীপুরটোয়েন্টিফোর মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত লক্ষ্মীপুরটোয়েন্টিফোর ডটকম ২০১২ - ২০১৮
সম্পাদক ও প্রকাশক: সানা উল্লাহ সানু
রতন প্লাজা (৩য় তলা) , চক বাজার, লক্ষ্মীপুর-৩৭০০
ফোন: ০১৭৯৪-৮২২২২২,ইমেইল: [email protected]