সব কিছু
লক্ষ্মীপুর বুধবার , ২১শে আগস্ট, ২০১৯ ইং , ৬ই ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ২০শে জিলহজ্জ, ১৪৪০ হিজরী

লক্ষ্মীপুরে একসঙ্গে জন্ম নেয়া সেই ৭ শিশুর মৃত্যুও একসঙ্গে

লক্ষ্মীপুরে একসঙ্গে জন্ম নেয়া সেই ৭ শিশুর মৃত্যুও একসঙ্গে

লক্ষ্মীপুর: লক্ষ্মীপুর শহরের সিটি হাসপাতালে স্বাভাবিকভাবে একসঙ্গে জন্ম হওয়া অপরিণত সেই সাত শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার ( ১২ এপ্রিল) দিনগত রাতে তাদের মৃত্যু হয়েছে। এরআগে শুক্রবার (১২ এপ্রিল) রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে ওই সাত শিশুর জন্ম হয়।

সাত শিশুর জন্ম দিয়েছেন নাজমা আক্তার (১৮) নামে এক নারী। তিনি লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার লাহারকান্দি এলাকার পাটোয়ারী বাড়ির প্রবাসী মো. রাজুর স্ত্রী।

সাত শিশুর মধ্যে চারজন মেয়ে, তিনজন ছেলে। লক্ষ্মীপুর সিটি হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. মো. আবদুল্লাহ নওশের বলেন, নির্দিষ্ট সময়ের আগে (৫ মাসে) সাত শিশুর জন্ম হয়েছে।

অপরিণত অবস্থায় জন্ম হওয়ায় তাদের বাঁচানো সম্ভব হয়নি। তবে তাৎক্ষণিক শিশুদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা শিশু হাসপাতাল অথবা ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের শিশু বিভাগে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়ে ছিল।

ঢাকায় নেওয়ার আগেই ওই সাত শিশুর মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের লোকজন তাৎক্ষণিক মরদেহগুলো বাড়িতে নিয়ে গেছেন। সিটি হাসপাতালের ম্যানেজার ওমর ফারুক জানান, শুক্রবার রাত ৯টায় ২০ মিনিটে প্রসববেদনা নিয়ে নাজমা হাসপাতালে ভর্তি হন।

এর ২৫ মিনিট পর স্বাভাবিকভাবে সাত শিশুর জন্ম দেন তিনি। নাজমা সুস্থ থাকলেও সাত শিশু মারা গেছে। নির্দিষ্ট সময়ের আগে (মাত্র ৫ মাসে) সন্তান প্রসব হাওয়ায় শিশুরা সুস্থ ছিলো না। তাদের চোখও ফোঁটেনি বলেও জানান ম্যানেজার ফারুক।

ঘরে-বাহিরে আরও সংবাদ

ঢাকা থেকে বাস ছাড়ার আগে মশা মারার স্প্রে করতে হবে: পরিবহন মালিক সমিতি

লক্ষ্মীপুরের ফেরিঘাট পরিবর্তন চেয়ে মন্ত্রনালয়ে ভোলা জেলা প্রশাসকের আবেদন

ফেরি সমস্যায় লক্ষ্মীপুর-ভোলা নৌরুটে গাড়ির জট

রেনু হত্যার ঘটনায় ঢাকায় লক্ষ্মীপুরবাসীর মানববন্ধন, এক নারী গ্রেফতার

রেণু হত্যাকারী জানোয়ার হৃদয় গ্রেফতার

ছেলেধরা সন্দেহে নিহত রেনু আগামী জানুয়ারিতে আমেরিকায় যাওয়ার কথা ছিল

লক্ষ্মীপুরটোয়েন্টিফোর মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত লক্ষ্মীপুরটোয়েন্টিফোর ডটকম ২০১২ - ২০১৯
সম্পাদক ও প্রকাশক: সানা উল্লাহ সানু
রতন প্লাজা (৩য় তলা) , চক বাজার, লক্ষ্মীপুর-৩৭০০
ফোন: ০১৭৯৪-৮২২২২২,ইমেইল: [email protected]