রায়পুরে পেনসিডিলের বিকল্প মাদক ডেক্সপোর্টেন সিরাপ

দেলোয়ার হোসেন মৃধ্যা, রায়পুর: রায়পুর উপজেলায় গত দু’মাস থেকে মাদক সেবিরা পেনসিডিলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় বিকল্প হিসাবে এখন ডেক্সপোটেন সিরাপ সেবন করছেন। পৌর শহরের আনাচে-কানাছে,গ্রামে-গঞ্জে, দিনদিন বেড়ে চলছে মাদক সেবিদের সংখ্যা। ফেনসিডিলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় যুবক,কিশোর এমনিকি স্কুল ছাত্র থেকে শুরু করে বিশাল একটি অংশ নেশা হিসাবে ডেক্সপোটেন সেবন করছেন। এজন্য বিভিন্ন মাদক সেবীদের আড্ডাখানা ও বিভিন্ন সড়কের আনাচে-কানাচে ডেক্সপোটেনের খালি বোতাল দেখা যাচ্ছে। মাদবসেবিরা কমমূল্যে ও সহজলভ্য হওয়ায় ডেক্সপোটেনের প্রতি আসক্ত হচ্ছে দিন দিন। বিষয়টি স্বীকার করে লক্ষ্মীপুর সিভিল সার্জন ডা: আবদুলাহ বলেন, ডেক্সপোটেন মূলত নেশার ঔষধ নয়, এটা কাশির ঔষধ। তবে এর সাথে ঘুমের ঔষধ মেশালে নেশা জাতীয় ঔষধ তৈরী হয়। আজকাল একশ্রেণীর মাদকসেবী নেশার অনেক পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন, যা অনেকাংশে আমরা ডাক্তাররাও জানিনা। উপজেলার বিভিন্ন ঔষধের খোঁজ নিয়ে জানা গেছে উঠতি বয়সি এক শ্রেণীর তরুণ ও পেশাদার মাদকসেবীরা ডেক্সপোটেন নিয়মিত ক্রয় করে থাকে। এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে রায়পুর থানার অফিসার ইনজার্চ ওসি রূপক কুমার সাহা জানান, আমরা শুনেছি ডেক্সপোটেন সিরাপের সাথে ঘুমের ট্যাবলেট মিশিয়ে মাদকসেবীরা পেনসিডিলের বিকল্প হিসাবে সেবন করে থাকে। তবে রেজিষ্ট্রাড চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া ডেক্সপোটেন সিরাফ বিক্রি করা উচিত নয়। বর্তমানে মাদকদ্রব্য ক্রেতা-বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অভ্যাহত রয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন মাদক-দ্রব্য বিক্রি বেচা-কেনা স্পটে পুলিশের হানা দেওয়ার করনে মাদকসেবীদের সংখ্যা অনেকাংশে কমে গেছে বলে তিনি জানান।