সব কিছু
লক্ষ্মীপুর শনিবার , ২৪শে আগস্ট, ২০১৯ ইং , ৯ই ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ২৩শে জিলহজ্জ, ১৪৪০ হিজরী

“আলেকজান্ডার মেঘনা সৈকত” যেন আরেক কক্সবাজার

“আলেকজান্ডার মেঘনা সৈকত” যেন আরেক কক্সবাজার

সানা উল্লাহ সানু:: ঈদের দিন (১৬ জুন) বিকেল থেকে লক্ষ্মীপুর-রামগতি আঞ্চলিক সড়কে শত শত মোটরসাইকেল, ছোট ছোট পিকাপ কিংবা এ রুটে নিয়মিত চলাচলাকারি বাস ভর্তি যাত্রী। যাত্রীদের বেশিরভাগই বয়সে তরুণ কিংবা যুবক। আছে মধ্য বয়সিও । সবার গন্তব্য একই । রামগতি উপজেলার “আলেকজান্ডার মেঘনা সৈকত”। বিগত ২ বছর থেকে আলেকজান্ডার শহর রক্ষা বেঁড়ি বাঁধটি পরিণত হয়েছে লক্ষ্মীপুর জেলার সেরা বিনোদন কেন্দ্র বা পর্যটন স্পটে। কেউ কেউ এর মাঝে নতুন কক্সবাজার খুঁজে পাচ্ছেন। সে কারণে “আলেকজান্ডার মেঘনা সৈকত” যেন আরেক কক্সবাজার। দক্ষিণে সাগর ন্যায় বিশাল মেঘনা, মেঘনার বুকে ছুটে চলা শত শত নৌকা, সূর্যদোয় কিংবা সূর্যাস্তের দৃশ্য। এ সব দৃশ্য যে স্থানে পাওয়া যায় তার নাম “আলেকজান্ডার মেঘনা সৈকত”।

সে জন্য অবসর বা বিনোদনের জন্য লক্ষ্মীপুরসহ পাশের জেলা নোয়াখালী এবং ফেনী থেকে অনেক মানুষ এখন এখানে ছুটে আসছে । গতো কয়েক বছর থেকে বিশেষ করে বিভিন্ন উৎসব কেন্দ্রিক ছুটির দিনগুলোতে এ এলাকায় দর্শনাথীদের ব্যাপক সমাগম হয়। দেশের নানান প্রান্ত থেকেও আসছে পর্যটক। রামগতি-কমলনগর তথা লক্ষ্মীপুরের স্থানীয় জনসাধারনের ব্যাপক উপস্থিতিও কম নয়। চার কিলোমিটার পাথুরে বেড়ী বাঁধের পূনাঙ্গ রুপ দেখার সুযোগ কেউই হাতছাড়া করতে রাজি না।

শুধু “আলেকজান্ডার মেঘনা সৈকত” একা নন।  কমলনগরের মতিরহাট এবং মাতব্বরনগর মেঘনা তীর ও বেড়ী বাঁধ, রামগতির বয়ারচর, টাংকির খাল স্লুইসগেট, রামগতির বাজার সংলগ্ন বেড়ী বাঁধ এলাকায়ও দর্শনার্থীদের ব্যাপক আগমন ঘটছে।

কিভাবে যাওয়া যাবে ?

“আলেকজান্ডার মেঘনা সৈকত” লক্ষ্মীপুর জেলা শহরের ঝুমুর স্টেশন থেকে ৫২ কিলোমিটার এবং নোয়াখালি জেলা শহর থেকে ৪০ কিলোমিটার দুরত্বে। রামগতি উপজেলা পরিষদের সামনে মিঠা পানির সৈকত মানেই আলেকজান্ডার মেঘনা সৈকত। এটি মেঘনা নদীর মোহনায় অবস্থিত।  লক্ষ্মীপুর বা নোয়াখালি থেকে আলেকজান্ডার মেঘনা সৈকতে যাতাযাতের জন্য রয়েছে পাকা সড়ক পথ, যা সৈকতের সামনে এসে শেষ হয়েছে । লক্ষ্মীপুর থেকে বাসে আসা নিরাপদ। মাত্র এ ঘন্টায় এখানে আসা যায়। এছাড়া সিএনজিসহ অন্য ছোট যানবাহন ও রয়েছে।  ঢাকা এবং চট্টগ্রামের সাথে আছে সরাসরি বাস যোগাযোগ।

স্থানীয়ভাবে জানা যায়, ২০১৪ সাল থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে আলেকজান্ডার শহর রক্ষা বাঁধটি নির্মাণ হয়। বাঁধটি নির্মাণ শেষ হওয়ার পর থেকে এটি ভ্রমণপ্রিয় মানুষের দৃষ্টি কাড়ে। অল্প দিনের ব্যবধানে আলেকজান্ডার শহর রক্ষা বাঁধটি “আলেকজান্ডার মেঘনা সৈকত” নামে পরিচিত পায় । শুধু জেলাই নয়, ইতোমধ্যে এ সৈকত দেশব্যাপী ও পরিচিতি পেয়েছে। বিকাল হতে না হতেই হাজার হাজার পর্যটক ভিড় জমায় এই সৈকতে।

সর্তকতা:

ভ্রমনকারিদের জন্য এ সড়কের সুজুকি নামক যানবাহনে ওঠা নিরাপদ নয়। এগুলো অদক্ষ চালকদের দ্বারা পরিচালিত হয়ে আসছে বলে অভিযোগ রয়েছে। বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রায় সময় এ সড়কে সুজুকি নামক যানবাহন দূর্ঘটনা শিকার হয়েছে বলে খবর শোনা গেছে। 

সদর আরও সংবাদ

বেশি নম্বর দেয়ার কথা বলে লক্ষ্মীপুরে ছাত্রীকে যৌন হয়রানি, শিক্ষক বরখাস্ত

লক্ষ্মীপুরে অদক্ষ হাতে নতুন মটরসাইকেল নিয়ে প্রাণ দিল কলেজ ছাত্র

লক্ষ্মীপুরে ঘুমন্ত বাবা-মা’র পাশ থেকে চুরি হওয়া সেই শিশু উদ্ধার

লক্ষ্মীপুরে ঘুমন্ত বাবা-মা’র পাশ থেকে শিশু চুরি, মুক্তিপণ দাবী

ডেঙ্গুতে আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে লক্ষ্মীপুরে মাইকিং

লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ৬ ডেঙ্গু রোগী ভর্তি, ঢাকায় স্থানান্তর ২

লক্ষ্মীপুরটোয়েন্টিফোর মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত লক্ষ্মীপুরটোয়েন্টিফোর ডটকম ২০১২ - ২০১৯
সম্পাদক ও প্রকাশক: সানা উল্লাহ সানু
রতন প্লাজা (৩য় তলা) , চক বাজার, লক্ষ্মীপুর-৩৭০০
ফোন: ০১৭৯৪-৮২২২২২,ইমেইল: [email protected]