সব কিছু
লক্ষ্মীপুর সোমবার , ১৯শে আগস্ট, ২০১৯ ইং , ৪ঠা ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ , ১৮ই জিলহজ্জ, ১৪৪০ হিজরী

লক্ষ্মীপুরের রাজনীতি: আ. লীগ বিশৃঙ্খল, বিএনপির ভোট আছে, নেতা নেই

লক্ষ্মীপুরের রাজনীতি: আ. লীগ বিশৃঙ্খল, বিএনপির ভোট আছে, নেতা নেই

কাজল কায়েস :: লক্ষ্মীপুরকে বিএনপির ঘাঁটি বলা হয়। দলটির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া দুবার নির্বাচন করে সংসদ সদস্য হয়েছেন। কিন্তু ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচন বর্জন করার পর এখন জেলায় দলটির কর্মকাণ্ড নড়বড়ে। এর কারণ দলে কোন্দল এবং জ্যেষ্ঠ নেতাদের নেতৃত্ব কুক্ষিগত করে রাখা। জেলার রাজনীতির খোঁজখবর যাঁরা রাখেন তাঁরা বলছেন, বিএনপির ভোট আছে, কিন্তু সাংগঠনিক নেতা নেই।অন্যদিকে লক্ষ্মীপুর থেকে আওয়ামী লীগের অলক্ষ্মী তাড়ানোর প্রত্যয় নিয়ে ২০১৫ সালের ৩ মার্চ জেলা আওয়ামী লীগের নতুন কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক মাঠে নামেন। এরপর তৃণমূল পর্যায়ে ঝিমিয়ে থাকা দলের নেতাকর্মীরা সক্রিয় হয়ে ওঠে। কিন্তু বিশৃঙ্খলা জেঁকে বসেছে দলটিতে। জেলা সদরে ক্ষমতাসীন দলটির কার্যালয়ও নেই।

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লক্ষ্মীপুরের চারটি আসনের মধ্যে দুটি পেয়েছে আওয়ামী লীগ। অন্য দুটি পেয়েছে তরীকত ফেডারেশন ও জাতীয় পার্টি। লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য তরীকত ফেডারেশনের মহাসচিব লায়ন এম এ আওয়াল। লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর ও সদরের একাংশ) আসনের সংসদ সদস্য হলেন জাতীয় পার্টির জেলা শাখার সভাপতি মোহাম্মদ নোমান। আওয়ামী লীগের এ কে এম শাহজাহান কামাল লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) ও আব্দুল্লাহ আল মামুন লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি-কমলনগর) আসনের সংসদ সদস্য। নবম সংসদ নির্বাচনে চারটি আসনেই বিএনপি জয়লাভ করেছিল।

আওয়ামী লীগ : দলীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে দলের কার্যালয় ছিল শহরের মাদাম এলাকায়। ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে জেলা ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণাকে কেন্দ্র করে পদবঞ্চিত একাংশের নেতাকর্মীরা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে পেট্রল ঢেলে আগুন দেয়। এ সময় চেয়ার-টেবিলসহ প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র পুড়ে যায়। এর পর থেকে দলীয় কার্যালয় নেই। ওই বছরের ৩ মার্চ জেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন হয়। ওই সম্মেলনে গোলাম ফারুক পিংকুকে সভাপতি ও নূর উদ্দিন চৌধুরী নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়। কিন্তু নতুন কমিটির নেতারা আর দলীয় কার্যালয় নেননি।জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাকিব হোসেন লোটাস বলেন, ‘দলীয় কার্যালয় নেই— এতে বোঝা যায় দল কেমন চলছে। আওয়ামী লীগ নেতাদের সমঝোতার রাজনীতির কারণে কিছুদিন পর নেতাকর্মীদের বিএনপি-জামায়াতের হাতে রাস্তায় মার খেতে হবে। ’ তিনি আক্ষেপ করে বলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভার মেয়রের অনুমতি নিয়েই গত ৬ মে সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদবিরোধী কর্মসূচি দেয় ছাত্রলীগ। কিন্তু সেদিন বিএনপির কর্মসূচি থাকায় ছাত্রলীগের অনুষ্ঠানে আসেননি তাঁরা কেউ।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন সময় নেতাকর্মীরা আওয়ামী লীগ নেতা গোলাম ফারুক পিংকু, নূর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন, লক্ষ্মীপুর পৌরসভার মেয়র আবু তাহের ও লক্ষ্মীপুর-৩ সদর আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম শাহজাহান কামাল ও রায়পুরের মারাফি কুয়েতিয়া কম্পানির স্বত্বাধিকারী শহিদুল ইসলাম পাপলুর পক্ষে বিভক্ত হয়ে কাজ করেন। তাঁরা পৃথকভাবে ব্যক্তিগত কার্যালয়ে বসে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করেন। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার লক্ষ্মীপুরে আগমনকে কেন্দ্র করে পৃথক পাঁচটি সংবাদ সম্মেলন করে নিজেদের অবস্থান জানান দিয়েছেন নেতারা। সমাবেশ আয়োজনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে খরচের জন্য টাকা দিয়েছেন পাপলু ও ঢাকা আনোয়ার খান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন খান। তাঁরা প্রধানমন্ত্রীর জনসভা মঞ্চেও স্থান পেয়েছেন।তবে আওয়ামী লীগের রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করেন মূলত আবু তাহের। আর্থিক ও রাজনৈতিক প্রতিপত্তির ধারেকাছেও নেই অন্যরা।

জেলা আওয়ামী লীগের মধ্যম সারির তিন নেতা জানান, ছয় মাস আগে জেলার রায়পুর ও রামগঞ্জে দুজন বিত্তশালীর আবির্ভাব ঘটে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে। রায়পুরে মারাফি কুয়েতিয়া কম্পানির স্বত্বাধিকারী শহিদুল ইসলাম পাপলু ও রামগঞ্জে আনোয়ার হোসেন খান এখন আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে আলোচিত নাম। টাকার বিনিময়ে তাঁরা এখন স্থানীয় রাজনীতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছেন। তাঁরা সংসদ নির্বাচন করবেন বলেও শোনা যাচ্ছে। জনশ্রুতি রয়েছে, টাকা থাকায় দলের জ্যেষ্ঠ নেতারাও তাঁদের গুরুত্ব দিচ্ছেন। দুঃসময়ের পরীক্ষিত নেতারা তাঁদের অর্থের দাপটের কাছে অসহায়।এ বি এম রফিক উল্যাহ ১৯৫৮ সাল থেকে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। সংসদ নির্বাচনে রামগঞ্জ থেকে দলীয় প্রার্থী হয়েছেন। উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতিসহ গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বলেন, ‘দলের প্রতি আনুগত্য এক-দুই দিনে প্রমাণ হয় না। নিজের নাম ও দলের সুবিধা লোটার জন্য আওয়ামী লীগে আনোয়ার খানদের সৃষ্টি। ’ ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘ছয় মাস আগেও এ ব্যক্তির নাম শুনিনি। এখন তিনি আলোচনায়।

আদর্শ আর টাকা এক জিনিস নয়। ’নাম প্রকাশ না করার শর্তে রায়পুর ও রামগঞ্জের সাত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা বলেন, দল করে তাঁরা কিছুই পাননি। সামান্য চেয়ারম্যান পদে দলীয় সমর্থন পেতে ১০ থেকে ৬০ লাখ টাকা করে দিতে হয়েছে। মেম্বার প্রার্থীরাও বাদ যাননি। টাকা নিয়ে নেতাদের পকেট ভারী হয়েছে।জানতে চাইলে জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি গোলাম ফারুক পিংকু বলেন, ‘আপাতত দলীয় কার্যালয় নেওয়া হচ্ছে না। আমাদের ব্যক্তিগত কার্যালয়গুলোতে কার্যক্রম চলছে। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্মীপুরে আগমনকে কেন্দ্র করে ব্যয়ের জন্য আনোয়ার খান ও শহিদুল ইসলাম পাপলু ৪০ লাখ টাকা দিয়ে আলোচনায় এসেছেন। এখন রাজনীতিতে তাঁরা প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করায় ত্যাগীরা উপেক্ষিত হচ্ছেন এটা সত্য। ’দলীয় সূত্র জানায়, জেলার সব কটি শাখা কমিটির মেয়াদ শেষ হয়েছে বহু আগেই।

২০০৩ সালে লক্ষ্মীপুর সদর, পৌরসভা, রামগঞ্জ উপজেলা, রায়পুর উপজেলা ও রামগতি উপজেলা শাখা আওয়ামী লীগের কমিটি করা হয়। এ ছাড়া ২০১০ সালে রামগঞ্জ পৌরসভা, ২০১২ সালে রায়পুর পৌরসভা, ২০১৩ সালে কমলনগর উপজেলা ও রামগতি পৌরসভা কমিটি হয়। সন্ত্রাস রোধে ২০১৪ সালে সদরের পূর্বাঞ্চলের ৯টি ইউনিয়ন নিয়ে থানা গঠিত হলেও সেখানে দলটির কোনো কমিটি করা হয়নি।জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নূর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন বলেন, ‘ইউপি নির্বাচনে প্রার্থীদের কাছ থেকে একটি টাকাও নেওয়া হয়নি। দলের জাতীয় ও স্থানীয় সব কর্মসূচি স্বয়ংপূর্ণভাবে পালিত হয়, যা এত বৃহৎ পরিসরে অতীতে কখনো হয়নি। ’ আগের চেয়েও আওয়ামী লীগের ভোট বেড়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

এদিকে রামগতি-কমলনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের দাবি, জনগণের মধ্যে আব্দুল্লাহ আল মামুনের ব্যাপক দুর্নাম রয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নের নানা প্রকল্পের বরাদ্দ থেকে ‘কমিশন বাণিজ্য’ করা, ডাকাতদের প্রশ্রয় দেওয়াসহ নানা অভিযোগ করেছে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।কমলনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এ কে এম নূরুল আমিন বলেন, “এমপি আবদুল্লাহ আল মামুনের সঙ্গে নেতাকর্মীদের দূরত্ব তৈরি হয়েছে। এমপির ‘প্রতিনিধি’ শ্রমিক লীগ নেতা আনোয়ারুল হক তাঁর বাহিনী দিয়ে কমলনগর শাসন করছেন। টিআর, কাবিখাসহ সরকারি সব বরাদ্দ থেকে কমিশন আদায়ের কারণে দলের পরীক্ষিত নেতাকর্মীরা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এটা দলের জন্য অশনিসংকেত। ”এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সংসদ সদস্য আবদুল্লাহ আল মামুন  বলেন, “আমার ‘প্রতিনিধির’ বিরুদ্ধে অভিযোগ কেউ আমাকে জানায়নি। এসব বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হবে। ” দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে তাঁর সুসম্পর্ক রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

বিএনপি : অভ্যন্তরীণ কোন্দলে দুর্বল হয়ে পড়ছে বিএনপি। দলের জেলা সম্মেলনকে ঘিরে প্রকাশ্যে গ্রুপিং চলছে। অভিযোগ রয়েছে, কয়েকজন নেতা বছরের পর বছর পদ-পদবি কুক্ষিগত করে রেখেছেন। এতে ব্যাপক জনসমর্থন থাকা সত্ত্বেও ঘুরে দাঁড়াতে পারছে না দলটি।দলীয় সূত্র জানায়, ২০০৭ সালে সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় কিছুদিনের জন্য একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। সর্বশেষ ২০০৯ সালে সম্মেলনে আবুল খায়ের ভূঁইয়া সভাপতি, সাহাব উদ্দিন সাবু সাধারণ সম্পাদক ও হাছিবুর রহমানকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে কমিটি করা হয়। এ কমিটি দিয়ে এখনো জেলায় বিএনপির কর্মকাণ্ড চলছে।দৃশ্যত, বর্তমানে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে বিএনপির নেতাকর্মীরা। আবুল খায়ের ভূঁইয়া ও শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানিকে ঘিরে একটি পক্ষ। অন্য পক্ষের নেতৃত্বে রয়েছেন সাহাব উদ্দিন সাবু ও হাছিবুর রহমান। গত ৬ মে লক্ষ্মীপুরে বিএনপির প্রতিনিধি সমাবেশে স্থানীয় নেতাদের পক্ষে স্লোগান দেওয়া নিয়ে কেন্দ্রীয় নেতাদের সামনে বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়ে নেতাকর্মীরা।

জানা গেছে, ২০১০ সালে লক্ষ্মীপুর পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে সাহাব উদ্দিন সাবুকে মনোনয়ন দেওয়া হয়নি। এতে তাঁর সঙ্গে লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বর্তমান কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানির মতবিরোধ দেখা দেয়। সেই পুরনো বিরোধ এখন প্রকাশ্যে এসেছে।জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাহাব উদ্দিন সাবু কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘দীর্ঘদিনেও জেলা বিএনপির সম্মেলন করা সম্ভব হয়নি। একাধিকবার সম্মেলন করার চেষ্টা করলেও কেন্দ্রীয় দুই নেতার (খায়ের ভূঁইয়া ও এ্যানি চৌধুরী) প্রভাবের কারণে করা যাচ্ছে না। এতে আমাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। ’জানা গেছে, আবুল খায়ের ভূঁইয়াকে খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা করা হয়েছিল। সম্প্রতি তিনি এ পদ থেকে অব্যাহতি নেন। জেলা বিএনপির রাজনীতিতে সময় দিতেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে তাঁর ঘনিষ্ঠ একাধিক নেতা জানিয়েছেন।

১৯৯৬ ও ২০০১ সালে খালেদা জিয়া লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর ও সদরের একাংশ) আসনে নির্বাচন করে বিজয়ী হন। পরে তিনি আসনটি ছেড়ে দিলে উপনির্বাচনে আবুল খায়ের ভূঁইয়া নির্বাচিত হন।শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, ‘লক্ষ্মীপুরে বিএনপিতে গ্রুপিং নয়, নেতৃত্বের প্রতিযোগিতা চলছে। বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা দলীয় কর্মসূচিগুলো পালন করছে। শিগগিরই সুন্দর একটি জেলা কমিটি হবে। ’অন্যান্য : ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির সংসদ নির্বাচনে জোটগত নির্বাচন করে লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসন থেকে তরিকত ফেডারেশনের মহাসচিব লায়ন এম এ আওয়াল নির্বাচিত হন। জেলার মধ্যে শুধু রামগঞ্জে তরিকত ফেডারেশনের সীমিত সাংগঠনিক কার্যক্রম রয়েছে। এ ছাড়া লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর ও সদরের একাংশ) আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সংসদ সংসদ হন জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি মোহাম্মদ নোমান। উল্লেখ করার মতো না হলেও দলটির কর্মকাণ্ড রয়েছে।গত সংসদ নির্বাচনের সময় জামায়াত-শিবির আন্দোলনের নামে ব্যাপক নাশকতা করেছিল। তারা সড়ক অবরোধ করে সারা দেশ থেকে এ জেলাকে বিচ্ছিন্ন করে রাখে। জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে নাশকতার বিভিন্ন মামলা থাকায় তাদের প্রকাশ্যে দেখা যায় না। তবে গোপন সাংগঠনিক তত্পতা রয়েছে তাদের।

সংসদ নির্বাচন আরও সংবাদ

লক্ষ্মীপুর-৩: কোন প্রার্থী কত ভোট পেলেন

লক্ষ্মীপুর-২: কোন প্রার্থী কত ভোট পেলেন

লক্ষ্মীপুর-১: কোন প্রার্থী কত ভোট পেলেন

লক্ষ্মীপুরে ১২ লাখ ভোটারের জন্য ৪শ৪৬ কেন্দ্র প্রস্তুত

ভোটের অপেক্ষায় লক্ষ্মীপুরবাসী: আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সর্বোচ্চ অবস্থান

সড়কে যানবাহন চলাচল কমে গেছে

লক্ষ্মীপুরটোয়েন্টিফোর মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত লক্ষ্মীপুরটোয়েন্টিফোর ডটকম ২০১২ - ২০১৯
সম্পাদক ও প্রকাশক: সানা উল্লাহ সানু
রতন প্লাজা (৩য় তলা) , চক বাজার, লক্ষ্মীপুর-৩৭০০
ফোন: ০১৭৯৪-৮২২২২২,ইমেইল: [email protected]