সব কিছু
facebook lakshmipur24.com
লক্ষ্মীপুর সোমবার , ৬ই জুলাই, ২০২০ ইং , ২২শে আষাঢ়, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ , ১৪ই জিলক্বদ, ১৪৪১ হিজরী
লক্ষ্মীপুরের হাটবাজারে ঐতিহ্যবাহী নানা পিঠা - Lakshmipur24.com

লক্ষ্মীপুরের হাটবাজারে ঐতিহ্যবাহী নানা পিঠা

0
Share

লক্ষ্মীপুরের হাটবাজারে ঐতিহ্যবাহী নানা পিঠা

নিজস্ব প্রতিনিধি: বারো মাসে তেরো পার্বণের আমাদের এই বাংলাদেশে এখন শীতকাল। নাগরিক ব্যস্ততা আর যান্ত্রিক সভ্যতার কারণে এখন আর যেমন বারো মাসে তেরো পার্বণ হয় না, তেমনি ইচ্ছে থাকলেও এখন আর মানুষ ঘরে বানানো পিঠা খেতে পারছে না অনেকেই। তাই শীত এলেই শহর ও গ্রামীণ হাটবাজারে নানা রকম পিঠা বিক্রি করা হয়। শীত বাড়ার সাথে সাথে শহরের ফুটপাতে শীতের পিঠার ব্যবসা জমে উঠেছে।

লক্ষ্মীপুর শহরে এই শীতে পিঠা ব্যবসায়ীদের এখন জমজমাট বেচাকেনা। বিকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত শহরের বিভিন্ন জায়গায় চলছে শীতের পিঠা বিক্রির ধুম। শহরের অলিগলিতে রাস্তার আশপাশে পিঠাপুলির ভ্রাম্যমান দোকান বসে। এসব দোকানে কিশোর থেকে শুরু করে বয়ষ্ক লোকেরা পিঠা তৈরি করে ক্রেতার কাছে বিক্রি করে। এ পিঠা বিক্রি করে সংসার চালায় তারা। তবে সন্ধ্যার পর থেকে ক্রেতার সমাগত বৃদ্ধি পায়। সবাই একসাথে মজা করে শীতের পিঠার স্বাদ উপভোগ করে। সকল বয়সের একসাথে পিঠা খাওয়া দেখে মনে হতে পারে কোন উৎসব চলছে। পিঠার দামও বেশি নয়। প্রতিটি পিঠা ৫-১০টাকায় বিক্রি হয়। চিতল পিঠা ৫ টাকা ও ভাপা পিঠা ১০টাকা দরে বিক্রি করে। এতে এ ব্যবসায় লাভও থাকে।
লক্ষ্মীপুর শহরের চকবাজার এলাকা, পৌর ভবনের সামনে, কলেজ রোড, উত্তর তেমুহনী, দক্ষিন তেমুহনী ঝুমুর এলাকা, বাগবাড়ি, সামাদ স্কুল মোড়সহ শহরের বিভিন্ন জনসমাগম স্থলে পিঠা বিক্রি করতে দেখা যায়। এছাড়াও জেলার বিভিন্ন হাট বাজারে, প্রতিষ্ঠানের সামনে ভ্রাম্যমান পিঠা বিক্রি শীতের ঐতিহ্যকে লালন করছে। ক্রেতাদের সমাগমে বিক্রেতারাও খুশি।
লক্ষ্মীপুর  পৌর ভবনের সামনে পিঠা বিক্রেতা আজাদ জানান, তিনি প্রতি শীত মওসুমে পিঠা বিক্রি করেন। এসময় তার প্রতিদিন প্রায় ৪-৫হাজার টাকা বিক্রি হয়, যার মধ্যে প্রায় হাজার টাকার মতো তার লাভ তাকে। বিক্রি ভালো বিধায় সে খুশি।
শহরের ব্যবসায়ী রোমান পিঠা খেতে এসে বলেন, আমি প্রতিদিনই সন্ধ্যার পর এসব দোকান থেকে পিঠা খাই। শীত কালের খাবার মধ্যে পিঠা অন্যতম। আগে যদিও বাড়িতে এসব পিঠা বানানোর হিড়িক পড়তো এখন তা আর দেখা যায় না।
অফিসগামী কিংবা বাড়ি ফেরার পথে রাস্তার দোকানের পাশে দাঁড়িয়ে তাই অনেককেই দেখা যায় পিঠা খেতে। আর শহরবাসীর রসনার তৃপ্তি মেটাতে গিয়ে এক শ্রেণির মানুষের উপার্জন হচ্ছে এখান থেকেই। যা তাদের জীবনযাপনে সাহায্য করে। শুধু যে কর্মজীবী মানুষরাই এই পিঠা খেয়ে থাকেন, তা কিন্তু নয়। সব শ্রেণি-পেশার মানুষ রাস্তার ধারের পিঠার দোকানের উপর নিভর্রশীল হয়ে উঠছে দিনকে দিন। তাইতো গাড়ি থামিয়ে রাস্তা থেকে ভাপা কিংবা চিতই পিঠা কিনতেও দেখা যায় অনেককে। আবার কেউ কেউ কর্মস্থল শেষ করে ফিরতি পথে পরিবারের সদস্যদের জন্যও পিঠা নিয়ে যাচ্ছেন। এর মধ্যে রয়েছে,ভাঁপা (ভাকা)পিঠা, তেলের (অন্দশা) পিঠা,নুন (নুনিয়া) পিঠা, পাটি সাপটা পিঠা, চিতই (চিতুয়া),পিঠা,পানি পিঠাসহ নানান বাহারী পিঠা উল্লেখযোগ্য।

লক্ষ্মীপুর সংবাদ আরও সংবাদ

লক্ষ্মীপুরে পরিবহন চাঁদাবাজ দুই তরুণ জেলে

লক্ষ্মীপুর-নোয়াখালী সীমানা বিরোধের জের: রামগতির মাছ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার

রায়পুরে দুই ট্রাকের সংঘর্ষে দুই চালক নিহত

রায়পুরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

ভার্চুয়াল কোর্ট বাতিল চায় লক্ষ্মীপুরের আইনজীবীরা

লক্ষ্মীপুর কারাগারে মেয়ে হত্যার আসামী বাবার মৃত্যু

লক্ষ্মীপুরটোয়েন্টিফোর মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার: লক্ষ্মীপুরটোয়েন্টিফোর (২০১২-২০২০)
সম্পাদক ও প্রকাশক: সানা উল্লাহ সানু, উপদেষ্টা সম্পাদক: রফিকূল ইসলাম মন্টু ।
রতন প্লাজা(৩য় তলা), চক বাজার, লক্ষ্মীপুর-৩৭০০।
ফোন: ০১৭৯৪-৮২২২২২, ইমেইল: [email protected]