১৫ মে থেকে ভোটার তালিকা হালনাগাদ শুরু

নিজস্ব প্রতিনিধি: আগামী ১৫ মে থেকে ভোটর তালিকা হালনাগাদের কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ।ভোটার তালিকা হালনাগাদ শুরু ১৫ মে সোমবার বিকেলে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান। তিনি বলেন, “রোজা আসছে। তাই একটু আগেই শুরু করব। সারাদেশে ৩ ধাপে ভোটার তালিকা হালনাগাদ শুরু হবে। এক ধাপ রমজানের আগে শুরু হবে। প্রথম দুই ধাপে উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে কার্যক্রম চলবে। শেষ ধাপে সিটি করপোরেশনসহ শহর এলাকায় ভোটার তালিকা হালনাগাদ করা হবে।” ভোটার তালিকা হালনাগাদের বিষয়ে ব্যাপক প্রচার প্রচারণা চালনো হবে জানিয়ে সিইসি বলেন, “২০১৫ সালের ১ জানুয়ারি যাদের বয়স ১৮ বছর হবে তারাই ভোটার হওয়ার সুযোগ পাবেন। এবার ৪৬ লাখ নতুন ভোটার করা হবে। কেউ যাতে বাদ না পড়েন সেজন্য প্রচারের ওপর গুরুত্ব দেব। বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচারণা ছাড়াও মাইকিং, মোবাইল ফোনে মেসেজের মাধ্যমেও জানানো হবে।” বর্তমানে ৯ কোটি ১৯ লাখ ভোট রয়েছে বলেও জানান তিনি।

ভোটার হওয়ার বিষয়ে সতর্ক করে তিনি বলেন, “দ্বৈত ভোটার হওয়ার প্রয়োজন নেই। আমরা ভোটার তালিকায় নিজের এলাকা পরিবর্তনের পদ্ধতি সহজ করেছি। তাই কেউ এলাকা স্থানাস্তর করতে চাইলে সহজেই করতে পারবেন। তাই কেউ দ্বৈত ভোটার হবেন না।”রোহিঙ্গাদের বিষয়ে সিইসি বলেন, “রোহিঙ্গাদের ভোটার হওয়া ঠেকাতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

২০০৭ সালে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে গাজীপুরের শ্রীপুরে পাইলট প্রকল্প দিয়ে প্রথম ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়নের কার্যক্রম শুরু করে নির্বাচন কমিশন। ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা ছিল আট কোটি ১০ লাখ ৫৮ হাজার ৬৯৮ জন। ২০০৯ ও ২০১০ সালে ভোটার তালিকা হালনাগাদের পর ভোটার সংখ্যা দাঁড়ায় ৮ কোটি ৫৭ লাখ ৭৪৭ জন।

দশম সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গত বছর চার ধাপে তিন বছরের (২০১১-২০১৩) ভোটার তালিকা হালনাগাদের কাজ একসঙ্গে সম্পন্ন করে ইসি। এতে প্রায় ৭০ লাখ ১৭ হাজার ৫২১ জন নতুন করে অন্তর্ভুক্ত হয়। এ ছাড়া ৭ লাখ ৪১ হাজার ৬৯ জন ভোটার, যারা মারা গেছেন তাদেরকে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়। সর্বশেষ তালিকা অনুযায়ী, দেশে ৯ কোটি ১৯ লাখ ভোটার রয়েছে।