লক্ষ্মীপুরে পুরাতন গরম কাপড়ের দোকানে ক্রেতাদের ভীড়

নিজস্ব প্রতিনিধি: সারাদেশের সাথে লক্ষ্মীপুরে হঠাৎ করে জেঁকে বসেছে কন্কনে শীত । অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর শীত দেরিতে এলেও তার প্রকোপ তীব্র আকার ধারন করছে । গত ৩/৪ দিন থেকে সন্ধ্যা নামতেই  জনপদ কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়ে যায় । এদিকে জাপান স্যাটেলাইট ও নোয়া ওয়েদার সূত্রে জানা যায় আজ রাত ১২টায় লক্ষ্মীপুরের বটতলীতে সর্ব সর্বনিম্ন তাপমাত্রা হবে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সন্ধ্যা ৬ টায় কমলনগরে তাপমাত্রা ছিল ১৫ ডিগ্রী রাতে ১২ টায় সেখানে তাপমাত্রা হবে ১৩ ডিগ্রী সেলসিয়াস। তাপমাত্রা আরো ৪/৫ দিন ওঠা নামা করবে বলে উপরোক্ত সূত্রে জানা যায়।

প্রান্তিক জনগোষ্ঠির মানুষজন এ তীব্র শীতে কাবু হয়ে পড়েছে । শীতের প্রকোপে শিশু-কিশোর ও বৃদ্ধরা আক্রান্ত হচ্ছে সর্দি কাঁশি,নিমোনিয়া ও ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন রোগে ।

সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, শীতের প্রকোপ থেকে বাঁচতে লোকজন খঁড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন । আবার কেউ কেউ গরম কাপড় কিনতে এখন ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন গ্রামাঞ্চলের হাট-বাজার ছাড়াও  শহরের কাপড়ের দোকানসহ ফুটপাতগুলোতে ক্রেতাদের প্রচন্ড ভীড় । নিম্ন আয়ের মানুষসহ মধ্যবিত্তরাও ফুটপাত থেকে গরম কাপড় কিনে শীত নিবারণের ব্যবস্থা করছেন । দোকানের চাইতে ফুটপাতগুলোতে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত লক্ষ্য করা যায় ক্রেতাদের ভীড় ।

সদর উপজেলার চর মনসা গ্রামের মনু মাঝি (৬০) বলেন, হঠাৎ করে বেড়ে গেছে শীত। রাতের বেলায় শিশু ওবৃদ্ধরা ঠান্ডায় অসহায় হয়ে পড়েন । অভাব-অনটনের কারণে ঠিক মতো খাবার যোগাড় করতে পারছিনা, ঠান্ডা সামলে উঠবো কি দিয়ে ? এই শীত নিবারণে বিত্তবাণ ও প্রবাসীরা এগিয়ে এলে আমরা উপকৃত হবো । লক্ষ্মীপুর শহরের তমিজ উদ্দিন ঈদগাহ বাজারের  ফুটপাতে শীত নিবারণকারী কাপড় বিক্রি করছেন এমন দুজন বিক্রেতা জানান শীত বাড়ার সাথে সাথে গরম কাপড়ের বিক্রি বেড়েছে। তারা জানান, গত এক সপ্তাহ আগে তেমন একটা বেচাকেনা হয়নি । কিন্তু হঠাৎ শীত বাড়ায় গত বুধবার থেকে গরম কাপড় বিক্রি বেড়েছে ।