লক্ষ্মীপুরে তীব্র শীতে গবাদি পশু নিয়ে বিপাকে মালিকরা

মাহাবুব আলম: লক্ষ্মীপুরে তীব্র শীতে গবাদি পশু নিয়ে বিপাকে পশু মালিকরা। অতি শীতে মানুষ গরম কাপড় পরিধান করলেও গবাবি পশুদের সে রকম কোন ব্যবস্থা নিতে পারছে না। ফলে অতিশীতে নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে গবাদি পশু বিশেষ করে গরু এবং ছাগল। লক্ষ্মীপুরের মেঘনাপাড়ের উপজেলা কমলনগর এবং রামগতিতে এ রকম চিত্র দেখা গেছে। পাশাপাশি কনকনে ঠান্ডায় চরমভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেমেঘনা পাড়ের ছিন্নমূল মানুষ ও জেলেরা। এই সব ছিন্ন মূল মানুষের চাহিদার তুলনায় গরম কাপর না থাকায় খড় কুটা দিয়ে আগুন জালিয়ে শীত নিবারনের চেষ্টা করছে ছিন্নমূল মানুষ। নিজেদেরকে শীতের কবল থেকে রক্ষা করার জন্য নানা ভাবে চেষ্টা চালিয়েও গরম কাপড়ের অভাবে কষ্ট পাচ্ছে নিম্ম আয়ের সাধারন মানুষ। এছাড়াও তীব্র শীতে মানুষের পাশাপাশি কাতর গবাদিপশুরা। এদিকে লক্ষ্মীপুর ছিন্নমূল মানুষ তাদের এই কষ্টের মধ্যেও তাদের পোষা প্রাণীদের শীত নিবারনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে তারা।

তাদের থেকেও জরুরি হয়ে পড়েছে এসব প্রাণীদের শীত নিবারন করা। লক্ষ্মীপুরে সকল স্থানে দেখা যায় গরু ছাগলকে শীত নিবারণের জন্য পাটের বস্তা গায়ে পড়িয়ে রাখতে। আর এই বিষয়ে কথা হয় কমলনগর মাতাব্বর হাট এলাকার স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার ও গরু পালনকারীর সাথে তারা বলেন, শীতের সময় কষ্ট শুধু মানুষের না। এই কষ্ট পশু – পাখিরও। বরং মানুষের থেকে পশু-পাখির কষ্ট আরও বেশি হয়। কারণ, মানুষ অনেক পোশাক পড়তে পারে। কিন্তু পশু পাখি পারে না। তারা আর বলেন আমাদের যেমন শীত লাগে, এবং শীতে যেমন আমরা গাঁয়ে চাদর, কম্বল,কিংবা জ্যাকেট ব্যবহার করি তেমনি পোষা প্রাণীদের ও শীত আছে, তাই আমরা এদের যত্ন নেই, এবং তাদের শীত নিবারনের জন্য পাটের বস্তা গায়ে দিয়ে রাখি। কারণ, গবাদিপশু আমাদের অনেক উপকার করে। তাই তাদের দিকেও সবাইকে উচিৎ মানুষের মতই খেয়াল রাখা।