লক্ষ্মীপুরটোয়েন্টিফোরে ভিডিও সংবাদ প্রচারের পর কাঠের সেতু হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধি: লক্ষ্মীপুরের কমলনগরের চর কালকিনির মতিরহাট সংলগ্ন মিয়াপাড়া-তালতলি রাস্তাটি মেঘনার জোয়ারের তীব্র স্রোতে ভেঙ্গে যায়। তলিয়ে যায় রাস্তটির ওপর থাকা সেতুটিও। মেঘনার প্রবল ঢেউয়ে ভেসে যায় ৩টি গ্রাম। দুর্ভোগের মাত্রা বেড়ে যায় সাধারণ মানুষ ও পড়ুয়ারাদের।এ দৃশ্যের একটি ভিডিও ধারণ করে লক্ষ্মীপুরটোয়েন্টিফোরের শিক্ষানবীশ কন্ট্রিবিউটর জুনাইদ আল হাবিব।তার নিজের কণ্ঠে ঘটনাটির সচিত্র প্রতিবেদনের ভিডিও প্রকাশিত লক্ষ্মীপুরটোয়েন্টিফোরের ফেসবুক ফ্যান পেইজে। সেই ভিডিও সংবাদটি দেখে ১১হাজার দর্শক, শেয়ার ৪’শ প্রোফাইলে। ভিডিও সংবাদটি নজরে আসে কমলনগরের প্রশাসনের। পরে প্রশাসন তাৎক্ষণিক ভাবে একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাটির ওপর সেতু নির্মাণের জন্য পাঠায়। কিন্তু অথৈ পানির কারণে সে সময় সেতু নির্মাণ সম্ভব হয়নি। এরপর স্বল্প সময়ের মধ্যে ইট-রড- সিমেন্ট-বালুর তৈরি খুটি এবং উন্নত মানের কাঠ দিয়ে নির্মাণ করা হয় একটি কাঠের সেতু।

সম্প্রতি সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় সে সেতু দিয়ে এখন গ্রামবাসি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ছাড়া ওখান দিয়ে চলাচল করছে হালকা গাড়িও। সুবিধাভোগী স্থানীয় জামাল মাঝি, শিক্ষার্থী আশ্রাফ আলী, জাফর আহমদ এ বিষয়ে লক্ষ্মীপুরটোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “রাস্তাটি ভেঙ্গে ও সেতুটি তলিয়ে যাওয়ায় বেশ কয়েকদিন আমরা অর্থ খরচ করে নৌকা দিয়ে পথ পাড়ি দিতে হয়েছে। মানুষের উদ্যোগে একটি সাঁকো নির্মাণ করা হলেও সেতুটি থেকে পড়ে আহত হয়েছেন অনেকে। রাস্তাটি ও তলিয়ে যাওয়া সেতুটির এমন দৃশ্যের খবর প্রকাশের পর পরই কাঠের সেতুটি নির্মাণ হয়েছে।

এখন আমাদের পারাপারে সমস্যা নেই।” চরকালকিনি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাষ্টার সাইফুল্লাহ লক্ষ্মীপুরটোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, কাঠের সেতুটি উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের তত্ত্বাবধানে নির্মাণ করা হয়েছে। শুষ্ক মৌসুম এলে ওখানে মূল একটি সেতু নির্মাণ করা হবে।” উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কমকর্তা লক্ষ্মীপুরটোয়েন্টিফোরকে বলেন, এখন আপাতত কাঠের সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছে, আগামি কয়েক মাসের মধ্যে নতুন সেতুর জন্য প্রকল্প পাঠানো হয়েছে।