স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যা করে লাশ গাছের সাথে ঝুলিয়ে রাখি, স্বামী লিটনের স্বীকারোক্তি

নিজস্ব প্রতিনিধি: লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে খুন হওয়ার তিন মাস পর গৃহবধু রুবিনা আক্তার (১৮) হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। স্বামী মো. লিটন(২৫)কে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার রহস্য বেরিয়ে আসে। এ সময় লিটন পারিবারিক কলহের জের ধরে স্ত্রী রুবিনাকে নিজ হাতে হত্যা করেন বলে স্বীকার করেন।
পুলিশ জানায়, উপজেলার চরকাদিরা ইউনিয়নের ৪নম্বর ওয়ার্ডের রব বাজার এলাকার মৃত মোসলেহ উদ্দিনের ছেলে লিটন(২৫)’র সাথে একই এলাকার চৌধুরী মাঝির মেয়ে রুবিনা আক্তার(১৮)’র বিয়ে হয়। বিয়ের তিন মাস পর চলতি বছরের ১৩এপ্রিল চৌধুরী মাজির বাড়ির বাগান থেকে গাছের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় রুবিনা আক্তারের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। গত রোববার (৮জুলাই) ময়না তদন্তে আঘাত জনিত মৃত্যুর রিপোর্ট আসলে থানায় হত্যা মামলা রেকর্ড করা হয়। ওই দিনই পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য স্বামী মো. লিটনকে আটক করে। পরে থানা হাজতে তাকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পারিবারিক কলহে স্ত্রীকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করে লাশ গাছের সাথে ঝুলিয়ে রেখে সে পালিয়ে যায় বলে স্বীকার করে। পরে সোমবার (৯জুলাই) তাকে আদালতের মাধ্যমে ১৬৪ধারা জবানবন্দি রেকর্ড করে জেল হাজতে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় স্থানীয় সরকার দলীয় কিছু লোকজন আসামী লিটন থেকে মামলা থেকে মুক্ত করবেন বলে ৫০হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিবেন বলে জানান পুলিশ।
কমলনগর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) মো. আলমগীর হোসেন জানান, রুবিনা হত্যার মূল আসামীকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। এর পিছনে আরও কেউ জড়িত আছে কিনা ক্ষতিয়ে দেখা হচ্ছে।