কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় লক্ষ্মীপুরের রাজেন

নিজস্ব প্রতিনিধি: বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ২৯তম জাতীয় সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক প্রার্থীদের নিয়ে ইতোমধ্যে রাজনীতির অভ্যন্তরে ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে। এ পদে লক্ষ্মীপুরের শাহ আশরাফ আহমেদ রাজেন ঘুরে ফিরে আলোচনার শীর্ষে। শাহ আশরাফ আহমেদ রাজেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। আর ছাত্রলীগের নেতৃত্ব নির্ধারণে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া শর্তঅনুযায়ি রাজেনই উত্তম এমনটাই বলেছেন সংশ্লিষ্টরা। জানা যায়, আগামী ১১ ও ১২ মে সৌহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিতব্য এ সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামীলীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। সম্মেলনকে ঘিরে ইতোমধ্যে সমগ্র বাংলাদেশে ছাত্রলীগের মাঝে প্রাণচাঞ্চল্য, উৎসাহ, উদ্দীপনা বিরাজ করছে।

 

আওয়ামীলীগের একটি সূত্র জানায়, এবার পারিবারিক ও সাংগঠনিক যোগ্যতা দেখে ছাত্রলীগে নেতা নির্বাচন করবেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গত কয়েকটি কমিটির সভাপতি, সাধারন সম্পাদক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নির্বাচন করা হলেও এবার ঢাকার বাহিরের বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিট থেকে একটি পদ থাকার বিশেষ সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া অঞ্চল হিসেবে গুরুত্ব পাবে চট্টগ্রাম বিভাগ।

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ২৯ তম জাতীয় সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হয়েছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহ আশরাফ আহমেদ রাজেন। তৃনমূল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে নেতৃত্ব দেওয়া শাহ্ আশরাফ আহমেদ রাজেন এবার বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নেতৃত্বের জন্য লড়ছেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স মাস্টার্স সম্পন্ন করে বর্তমানে ঢাকায় আইনে অধ্যয়নরত।

সম্পূর্ন আওয়ামী পরিবারের সন্তান শাহ্ আশরাফ আহমেদ রাজেন, ২০১০ সালে  লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলা ছাত্রলীগের সদস্য ছিলেন। ২০১২ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের কার্যনির্বাহী সদস্য হন। শিবির ছাত্রদল মুক্ত ক্যাম্পাস গড়ে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে ব্যাপক ভূমিকা রাখেন। প্রার্থী হন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক পদে। চট্টগ্রামে আঞ্চলিকতা এবং বগি ভিত্তিক গ্রুপিং এর কারনে প্রার্থিত পদ বঞ্চিত হন।

২০১৩ সালে কমলনগর উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটিতে সহ-সভাপতি হন। ২০১৬ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক হন। তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারন করে ছাত্রলীগে কাজ করে যান। শাহ্ আশরাফ আহমেদ রাজেনের, বড় ভাই শাহ্ আরমান আহমেদ লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক ছিলেন। পিতা তোফায়েল আহমেদ লক্ষ্মীপুর কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি ছিলেন। তিনি লক্ষ্মীপুর কলেজ ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ছাত্রলীগের প্যানেল থেকে দুইবার নির্বাচন করেন। বর্তমানে তিনি সরকারী চাকুরীজীবী। চাচা মরহুম ফয়েজ আহমেদ সাবেক লরেঞ্চ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সিনি: সহ-সভাপতিসহ বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেন।

শাহ্ আশরাফ আহমেদ রাজেন বলেন,

‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়নে দেশরত্ন শেখ হাসিনার নির্দেশনায় বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে সুসংগঠিত করে বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে গৌরবান্বিত করতে, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ২৯ তম সম্মেলনে সাধারন সম্পাদক পদে প্রার্থী হই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার উপর আমার আস্থা রয়েছে। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।