প্রেসিডেন্ট অ্যাওয়ার্ড পাচ্ছেন লক্ষ্মীপুরের আবুল কাশেম

নিজস্ব প্রতিনিধি :প্রেসিডেন্ট’স রোভার স্কাউট অ্যাওয়ার্ডের জন্য (পিআরএস) মনোনীত হয়েছেন লক্ষ্মীপুরের আবুল কাশেম রাকিব। রোভার স্কাউটদের জন্য বাংলাদেশ স্কাউটসের সর্বোচ্চ অ্যাওয়ার্ড পিআরএস’র জন্য চূড়ান্তভাবে তিনি মনোনীত হন।শনিবার (৯ জুন) বাংলাদেশ স্কাউটস’র সহকারী পরিচালক (প্রোগ্রাম ও গ্রোথ) এ কে এম আশিকুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।কাশেম লক্ষ্মীপুর পৌরসভার আটিয়াতলি এলাকার ব্যবসায়ী আবদুর রাজ্জাক ও শামছুন নাহারের ছেলে। তিনি ঢাকা কলেজ থেকে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্স শেষ পর্বের শিক্ষার্থী ও ঢাকা কলেজ রোভার স্কাউট গ্রুপের সদস্য।জানা গেছে, রোভার স্কাউটসদের জন্য পিআরএস দেশের সর্বোচ্চ অ্যাওয়ার্ড। এটি বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি পিআরএস প্রাপ্তদের প্রদান করেন।

একজন রোভারের জন্য এটি একটি গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়। প্রত্যেক রোভারের স্বপ্ন থাকে প্রেসিডেন্ট’স রোভার স্কাউট অ্যাওয়ার্ড অর্জন করার। আর এটি অর্জনের জন্য প্রয়োজন সঠিক পরিকল্পনা ও নিয়মিত স্কাউটিং কার্যক্রম।১৭ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রাতিষ্ঠানিক ও মুক্ত রোভার দলে সহচর হিসেবে যোগদান করতে পারেন। আর সর্বনিন্ম ২৭ মাস এবং সর্বোচ্চ ৩৯ মাসের রোভার স্কাউট প্রোগ্রাম বাস্তবায়ন করতে হয়। জেলা রোভার স্কাউটসের মূল্যায়ন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে অঞ্চল পর্যায়ে অংশ নিতে হয়। পিআরএস অর্জনকারীকে লিখিত, ব্যবহারিক, মৌখিক, সাঁতার এবং লগবই মূল্যায়নে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয়। পরে জাতীয় পর্যায়ে ৩০০ নম্বরের লিখিত, ব্যবহারিক, মৌখিক, সাঁতার ও লগবই মূল্যায়ন পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়। যা পিআরএস মূল্যায়ন ক্যাম্পের (তাঁবুবাস) মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।আবুল কাশেম রাকিব বলেন, একজন রোভার হিসেবে এটি আমার সর্বোচ্চ অর্জন। আমি স্কাউট আন্দোলনের মূলমন্ত্র ও আত্মমর্যাদাকে ধারণ করে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করতে চাই। পিআরএস’র জন্য মনোনীত হতে যারা আমাকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহযোগীতা করেছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।উল্লেখ্য, ২০১১ সালে লক্ষ্মীপুরের শিক্ষার্থী আল-আমিন হোসেন পিআরএস অর্জন করেন।